সওজ-এর জায়গায় অবৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

অপরাধ ও দুর্নীতি ঢাকা

মোঃ আল মামুন খান, সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার সাভারের আমিনবাজার থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত রাস্তার পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) এর জায়গায় অবৈধভাবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্বিঘ্নে ব্যবসা করে যাছে।

অথচ এগুলি থেকে না আসছে সরকারের কোনো রাজস্ব,উপরন্তু রাস্তার সাথের এই জায়গাগুলিতে এসব প্রতিষ্ঠান, মটর গ্যারেজ, চায়ের দোকান সহ নানাবিধ দোকান হওয়াতে চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। ফুটপাত বলতে কিছুই থাকছে না এবং মহাসড়কে গাড়ি চলাচলে প্রয়োজনে রাস্তার পাশের এই জায়গাগুলি ব্যবহার করতে পারছে না।

আমিনবাজার থেকে একেবারে সাভারের শেষসীমা নয়ারহাট ব্রিজ পর্যন্ত এভাবেই সওজ-্এর জায়গা বেদখল হয়ে আছে। আর সড়ক দুর্ঘটনায় রাস্তার এইসব দোকান ও প্রতিষ্ঠানগুলিতে গাড়ি উঠে যাওয়ার ঘটনায় বাড়ছে প্রাণহানির ঘটনা।

মহাসড়কের চালকদের বক্তব্য হলো- মহাসড়কের পাশের এই জায়গাগুলি ফাঁকা থাকলে জানজট এড়ানো সহ দুর্ঘটনাকালীন সময়ে একটা বিকল্প পথ থাকায় গাড়ি সেদিকে তুলে দিয়ে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করা যেত। কিন্তু অবৈধ এসব দোকানপাট থাকাতে সেই পথও রুদ্ধ হয়ে আছে। উপরন্তু চারিদিকে মানুষ থাকায় দূর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে বলে অভিমত তাদের।

জাহাংগীরনগর বিশমাইল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়ক ও জনপথ এর জায়গা পুরোটা দখল করে বেশ কিছু দোকান, টিকেট কাউন্টার এবং সিমেন্টের ভাস্কর্য তৈরীর দোকান গড়ে উঠেছে। এখানে জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন বিশমাইল মার্কেটের দোকানগুলির সাথে বাউন্ডারির ভিত করে বিশ্ববিদ্যালয় এবং সওজ’র সীমানা ইতোমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মোতাবেক ৩০-৪০ ফুট প্রসস্ত খালি সরকারি জায়গার পরেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। এই খালি জায়গাটুকুর পুরোটা এইসব অবৈধ দোকানের দখলে আছে। আমিনবাজার থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত এই একই চিত্র দেখা যাবে।

এব্যাপারে সড়ক ও জনপথ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে এই সওজ’র জায়গা সংক্রান্ত বেশকিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেগুলি পাবার পরে প্রতিবেদনের বাকী পর্বগুলি প্রকাশ করা হবে।