লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে অনিয়মের মধ্য দিয়ে মাসিমপুর এ.এল.এম. উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়ালসহ একটি প্রভাবশালী মহল গঠনতন্ত্র উপেক্ষা এবং আইন লংঘন করে পছন্দের লোকজন দিয়ে এই পকেট কমিটি গঠন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে গত ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সভাপতি পদ নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠন হলেও সদস্য নির্বাচনে সম্পূর্ণ অনিয়ম হয়েছে।
এ নিয়ে ওই এলাকাবাসী শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অবিলম্বে বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে তারা।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের চত্রছায়ায় পছন্দের ৫ জনের নিকট সদস্য ফরম বিক্রি করে। নিয়ম অনুযায়ী অন্য অভিভাবককে সদস্য ফরম কিনতে চাইলে কিনতে দেয়নি তারা। এছাড়া গঠনতন্ত্রে বলা আছে কোন অভিভাবক পুরুষ মারা গেলে কিংবা প্রবাসে থাকলে আবেদনের মাধ্যমে তার স্ত্রী অভিভাবক সদস্য হতে পারবেন। কিন্তু পুরুষ অভিভাবক উপস্থিত থাকা শর্তেও তার স্ত্রীকে অভিভাবক সেজে মহিলা সদস্য বানিয়ে নিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত।
অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল জানান, তিনি ব্যস্ত থাকায় ঠিকত ফরম বিক্রি করতে পারেননি। সিন্ডিকেট করে ফরম বিক্রির করা হয়েছে। এমন প্রশ্নের জবাবে কিছুই জানেন না বলে অফিস কার্যালয় ত্যাগ করে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান তিনি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির জাহান জানান, ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে আপাতত স্থগিত করার নির্দেশ দেন। বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং অনিয়মের সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি