জবিতে সরস্বতী পূজার আড়ম্বর আয়োজন

শিক্ষা

রায়হান তন্ময়,জবি প্রতিনিধি: বাংলা মাঘ মাসের প মী তিথিতে পালিত হয় এই সরস্বতী পূজা। এ পূজার আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।রোবাবার সকাল ৯টা থেকে আয়োজিত এই পূজায় অংশ নেন সনাতন ধর্মালম্বী শিক্ষার্থী,শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ। পূজা উপলক্ষে প্রতিটি বিভাগের সামনে স্থাপন করা হয়েছে প্রতিমা। প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থী ও সনাতন ধর্মালম্বী মানুষ ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে অংশ গ্রহণ করছে বিদ্যাদেবীর এ পূজায়। শিক্ষা, সংগীত ও শিল্পকলায় সফলতার আশায় সনাতন ধর্মালম্বী শিক্ষার্থীরা দেবীর পূজা অর্চনা করেছে।

ক্যাম্পাসে পূজা আয়োজনের অন্যতম সংগঠক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিউটন হাওলাদার ‘জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে বাণী অর্চনার এই আবহ অম্লান হোক’ কামনা করে বলেন, জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত হয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ অসাম্প্রদায়িকতা, অজ্ঞানতার অন্ধকার, কূপমন্ডুকতা আর অকল্যাণকর সকল বাধা পেরিয়ে একটি উন্নত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসবে-এটাই সকলের প্রত্যাশা। পূজায় আসা নাট্যকলা বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রী মাহবুবা মৌ বার্তা বাজারকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি সর্বজনীন স্থান। এখানে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ না করার শিক্ষাই এ পূজা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। পূজা পালন করতে আসা লক্ষীবাজারের বাসিন্দা ডিওটি বলেন,প্রতিবারের মতই জবিতে এসে পূজা পালন করি এবারও পুরো পরিবারকে সাথে নিয়ে এসেছি।

এ পূজায় আপনারা কি প্রত্যাশা করেন জানতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়াম্যান ও পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী বার্তা বাজারকে বলেন, আমরা মনে করি এই পূজার মাধ্যেমে প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। পূজার বিষয়টি নিয়ে জবি উপাচার্য ড.মীজানুর রহমান বলেন, এবারো আমরা পূজায় প্রতিটি বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি যাতে সর্বোচ্চ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য নিয়ে পালন করা হয়। আমাদের এখানে জায়গার তুলনায় বিভাগ সংখ্যা অনেক বেশি থাকায় একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে। আর এই পূজা যেহেতু পুরানো ঢাকার সকল প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে পালন করা হবে তাই এখানে সবার জন্য উন্মক্ত থাকবে। তবে যদি কেউ রং নিয়ে মাতামাতি করে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।