শেরউড ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি-২০১৯ ব্যাচের বিজ্ঞান বিভাগের ৭ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। শেরউড ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষ (২০১৯-২০) ভর্তি পরীক্ষার ফল গত ১৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় প্রকাশ হয়েছে। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নূন্যতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করেছে ৪৯ হাজার ৪১৩ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে পরীক্ষার্থী ২২ হাজার ৮৮২ ও মেয়ে পরীক্ষার্থী ২৬ হাজার ৫৩১ জন। জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ নম্বরধারীরা সরকারি ৩৬ মেডিকেল কলেজে ও পরবর্তীতে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন। নতুন পদ্ধতিতে গত (১১ অক্টোবর) শুক্রবার দেশব্যাপী একযোগে ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যূতে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছর ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ৪ হাজার ৬৮ আসন ও ৭০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার ৩৩৬ টি আসনসহ ১০ হাজার ৪০৪টি আসনের বিপরীতে ৬৯ হাজার ৪১০ জন ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে বগুড়ার শেরপুরের শেরউড ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) স্কুল এ্যান্ড কলেজের ছাত্র শেরপুর পৌর শহরের ঘোষপাড়া এলাকার জয়েন্ত ভট্টাচার্যের ছেলে কৌশিক ভট্টাচার্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, কর্মকারপাড়া এলাকার পুতুল রায়ের ছেলে প্রতিক রায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ, জগন্নাথপাড়া এলাকার হায়দার আলীর ছেলে সাব্বির আহমেদ এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট, খন্দকারপাড়া এলাকার তরিকুল ইসলামের মেয়ে নিশাত তামিমা আকতার সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, কিশোরগঞ্জ, রামচন্দ্রপুরপাড়া এলাকার কুরবান আলীর ছেলে মো. আরাফাত হোসেন অপেক্ষমান তালিকায়-১৩৩, কুসুম্বী ইউনিয়নের উচুল বাড়িয়া গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে আফসানা পিয়া আঁখি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়া এবং ভবানীপুর ইউনিয়নের ছোনকা গ্রামের এসএম কফিল উদ্দিনের মেয়ে কামরুন্নাহার কনা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
এ ব্যাপারে শেরউড ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) স্কুল এ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসালাম (বাবু) ও পরিচালক শফিকুল ইসলাম (মিটু) বলেন, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমে ও অভিভাবকদের সচেতনায় আমার কলেজের ছাত্ররা আশানুরুপ ফল করেছে। শেরউড ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) স্কুলটিকে ২০১৪ সালে কলেজে উন্নিত করা হয় এবং ২০১৫ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্য পেতে থাকে। ২০১৫ সালে সরকারি মেডিকেলে ০২ জন, ২০১৬ সালে ০৩ জন, ২০১৭ সালে ০৬ জন, ২০১৮ সালে ০৪ জন এবং চলতি বছর ০৭ জন ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
এছাড়াও বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এটা আমাদের শেরপুরের গর্ব। সকলের সহযোগিতা পেলে এই প্রতিষ্ঠান আরো ভাল করবে বলে আমরা আশা করি।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি