উল্টোদিক থেকে আসা একটি ভারি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে বাসটির। নিমেষেই দুমড়ে-মুচড়ে যায় বাসের সামনের অংশ। বুধবার সেৌদি আরবের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে মক্কা যাওয়ার জাতীয় সড়কে।
বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ৩৫ জন যাত্রীর মৃতু্যর খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি আছেন কিনা জানা যায়নি।
প্রশাসনের খবর, মদিনা থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে আল-আখাল গ্রামের কাছে হিজরা রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসযাত্রীরা সবাই ওমরাহ করতে যাচ্ছিলেন।
সৌদি আরবের বাসিন্দা ছাড়াও এশিয়ার অন্যান্য দেশের বাসিন্দারাও ছিলেন। মৃত যাত্রীদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত চারজন। তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। অবস্থা গুরুতর। সৌদির সংবাদ সংস্থা আরব নিউজ জানিয়েছে, মক্কা ও মদিনার মধ্যে ওই জাতীয় সড়কে আগেও একাধিকবার দুর্ঘটনা হয়েছে।
মনে করা হচ্ছে, সন্ধ্যার অন্ধকারে কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক। মিনার আল-আকাল সেন্টারের কাছে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে উল্টোদিক থেকে আসা একটি ভারি গাড়ির সঙ্গে। সূত্রের খবর, এক্সকেভেটর বা ওই জাতীয় কোনো গাড়ির সঙ্গেই সংঘর্ষ হয়। দুমড়ে-মুচড়ে উল্টে যায় বাসটি। স্থানীয়রাই প্রথমে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে পৌঁছে পুলিশ।
প্রতি বছর বিশ লাখেরও বেশি হজযাত্রী মিনা হয়ে গ্র্যান্ড মসজিদে কাবার উদ্দেশে হজ করতে যান। মিনার এই জমরাতেই রয়েছে তিনটি পাথরের স্তম্ভ, যার নাম জমরাত আল আকাবা।
প্রথা অনুযায়ী ওই স্তম্ভ লক্ষ্য করে শয়তানের উদ্দেশে সাতবার পাথর ছুড়ে মারেন হাজীরা। সৌদির সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, আজও সেখানেই যাচ্ছিলেন ওমরাহযাত্রীরা। তার আগেই এ দুর্ঘটনা ঘটে যায়।
বার্তাবাজার/এম.কে