ডিমের কুসুম হলো সকল পুষ্টির আধার

ডিমের কুসুম হলো সকল পুষ্টির আধার। ডিম, বিশেষ করে ডিমের কুসুম সম্পর্কে মানুষের কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে। অনেকে মনে করেন ডিম খেলে হৃদরোগ বেড়ে যায়, কিন্তু কথাটি সত্য নয়। ডিম প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস্ সমৃদ্ধ পরিপূর্ণ খাবার। বিভ্রান্ত না হয়ে সকল বয়সের মানুষের প্রতিদিন ডিম খাওয়া উচিত বলে বাংলাদশে কৃষি বিশ্ববদ্যিালয়ে (বাকৃবি) পালিত বিশ্ব ডিম দিবসে এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার।

‘সুস্থ মেধাবী জাতি চাই, প্রতিদিনই ডিম খাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদশে কৃষি বিশ্ববদ্যিালয়ে (বাকৃবি) বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকালে কে বি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের ডিম খাওয়ানো, আনন্দ র‌্যালি এবং আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।

বাকৃবির পশুপালন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সকাল ১০টার এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন অনুষদীয় ডিন অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদ থেকে শুরু হয়ে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার। এছাড়াও পশুপালন অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকমন্ডলীসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী। মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, প্রাণিজ আমিষের মধ্যে ডিমের দাম সবচেয়ে কম। শরীর সুস্থ-সবল রাখার জন্যে প্রতিটি মানুষের দিনে কমপক্ষ্যে ১টি করে ডিম খাওয়া দরকার। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্যও ডিমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

প্রধান আতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, ‘যেকোনো বয়সের লোকরই ডিম খাওয়া জরুরী। ডিমের পুষ্টিগুন শিশু থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক সবাইকেই গ্রহন করতে হবে। দেশের মানুষের প্রাণীজ আমিষের চাহিদা মিটিয়ে কর্ম ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ডিম একটি পরিপূর্ণ খাবার। দেশকে এগিয়ে যেতে হলে দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে সুস্থ এবং কর্মক্ষম রাখতে হবে।’

বার্তাবাজার/এম.কে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর