কোটালীপাড়ায় দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় দুই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়মের কারণে স্বীয় পদ বাতিলের অভিযোগ। উপজেলার ১২ নং কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য বাসুদেব হালদার এবং ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য দুলাল বেপারীর বিরুদ্ধে উক্ত অভিযোগ করেন ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়-সদস্য বাসুদেব হালদার এবং দুলাল বেপারী পরিষদের ৭টি সভায় বিনা কারণে অনুপুস্থিত থাকেন। তাছাড়া বাসুদেব হালদার দীর্ঘ দিন যাবত এলাকায় না থাকায় সাধারণ জনগন ইউনিয়ন পরিষদের কাজ কর্ম করতে পারছেন না। এলকার ভুক্তভোগি- বরুন চন্দ্র বাড়ৈ, বিভুতী বৈরাগী, মলয় মধু, মোকিত মোল্লা, সজল রায়, আকাশ বাড়ৈ, অরুন বাড়ৈ সহ একাধিক এলাকাবাসী সাংবাদিকদের বলেন- ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বর বাসুদেব হালদার এলাকার জনসাধারণের কাছ থেকে রাস্তা ঘাট, ডিপ টিউবঅয়েল সহ বিভিন্ন খাতে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়েছে।

তাকে ৬ মাস যাবৎ এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। তার কারণে আমরা ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবা হতে বি ত। অন্যদিকে, ৬ নং ওয়ার্ড সদস্য দুলাল বেপারীর বিরুদ্ধে আদালতে ৬টি ফোজদারী মামলা রয়েছে। যে কারণে সরকারী বিধি মোতাবেক উভয় সদস্যের পদ বাতিলের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে ২৫ ও ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহাফুজুর রহমান উভয় অভিযোগের তদন্ত রিপোর্ট প্রদানের জন্য উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করেন। এ ব্যাপারে সদস্য বাসুদেব হালদার এবং সদস্য দুলাল বেপারীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টাকরেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কান্দি ইউপি চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন- স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী বাসুদেব হালদার এবং দুলাল বেপারীর সদস্য পদ বহু পূর্বেই বাতিল হওয়ার যোগ্য। তিনি আরও বলেন- ইউনিয় পরিষদ আইন ২০০৯ মোতাবেক যুক্তি সংগত কারণ ব্যাতিরেকে পরিষদে পর পর যদি কোন সদস্য তিনটি সভায় অনুপুস্থিত থাকেন এবং পরিষদ বা রাষ্ট্রের সার্থের হানিকর কোন কার্যকলাপে জড়িত থাকেন, অথবা দুর্নিতী বা অসদাচরন বা নৈতিক স্খলনজনিত কোন অপরাধে দোষি সাব্যস্ত হইয়া দন্ড প্রাপ্ত হইয়া থাকেন তবে তাহার সদস্য পদ বাতিল হওয়ার যোগ্য। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার পলাশ কুমার দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- বিষয়টির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর