দেশের বন্দরনগরী ভৈরবে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্ধ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। একই সঙ্গে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভৈরব বাজারে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ লাখ মিটার সরকার নিষিদ্ধ এসব কারেন্ট জাল জব্ধ এবং জাল বিক্রির সাথে জড়িত থাকার কারণে ৩জনকে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের নেতৃত্বে দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান। এতে সহযোগিতা করেন উপজেলা মৎস কর্মকতা মো. লতিফুর রহমান। এসময় ভৈরব থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাগেছে, দীর্ঘ দিন ধরে ভৈরব বাজারে অসাধু জাল ব্যবসায়ীরা সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ কারেন্ট বিক্রি করে আসছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানো হয়।
ফলে জাল ব্যবসায়ী আব্দুর রউফ মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলামিন স্টোরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় অবৈধ এই কারেন্ট জাল বিক্রির সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৩জনকে আটক করা হয়। তারা হলেন, যোবায়ের মিয়া ও সুমন মিয়া ও কুলি মিলন মিয়া।
এসময় তাদেরকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। যোবায়ের মিয়াকে ৫ হাজার টাকা, সুমন মিয়াকে ৫ হাজার টাকা ও কুলি মিলন মিয়াকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সরকার নিষিদ্ধ প্রায় ৩০ লাখ মিটার কারেন্ট কারেন্ট জাল জব্ধ করেছি।
যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। এছাড়াও অবৈধ এই কারেন্ট জাল বিক্রির সাথে জড়িত থাকার দায়ে ৩জনকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাছাড়া জব্ধকৃত এসব কারেন্ট জাল আগুণে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা জানান, ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সরকার ঘোষিত মা ইলিশ ধরা ,বিক্রয় করা, মজুদ ও পরিবহণ নিষেধ করে দিয়েছে।
এর সফলও আমরা পেয়েছি বিগত বছর গুলোতে। অবৈধ এই কারেন্ট জাল জব্ধের মাধ্যমে আমরা ইলিশসহ ভিবিন্ন প্রজাতির মাছ রক্ষা করতে সক্ষম হবো। এই অভিযান অব্যহত থাকবে বলে তিনি জানান।
বার্তাবাজার/কেএ