যদি কখনো কেউ আমার বিরুদ্ধে ৫ পয়সার দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারে তাহলে সাদা কাগজে পদত্যাগ করে চলে যাবো বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ কর্মীরা দুর্নীতি বিরোধী মিছিল শেষে উপাচার্যের সাথে দেখা করে দুর্নীতিবাজদের শাস্তি দাবী করলে উপাচার্য এসব কথা বলেন।এসময় তিনি বলেন,আমি দুর্নীতি করি না।
আমাকে দুর্নীতিবাজ প্রমাণ করার চেয়ে খড়ের গাদায় সূঁচ খুঁজে পাওয়া সহজ।এসময় তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহনের পর আমার আশেপাশের কারো দুর্নীতি প্রমাণ হয়েছে অথচ শাস্তি দেয়া হয়নি এটা অসম্ভব।
গত তিন বছরে ৩৭ জন কে শাস্তি দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে কোনো উপাচার্য দূর্নীতিবাজদের এতো শাস্তি দেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ছাত্র উপদেষ্টা এবং প্রক্টরের দায়িত্ব প্রাপ্ত অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন, সহকারী প্রক্টর আনিচুর রহমান প্রমুখ।
জানা যায়,মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মেগা প্রকল্পের চাপে অব্যাহতির আবেদন প্রকৌশলীর,শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের পক্ষ থেকে দাবী করা হয় মেগা প্রকল্পে কাজ পাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান প্রকৌশলীকে ক্যাম্পাসের আশেপাশের রাজনৈতিক নেতা এবং চরমপন্থী নেতারা হুমকি দেয় এবং এর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন দুর্নীতিবাজ শিক্ষক জড়িত।
এসকল দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের শাস্তির দাবিতে তাদের এ মিছিল বলে একাধিক ছাত্রনেতা নিশ্চিত করেছেন। তবে কোন কোন শিক্ষক দুর্নীতির সাথে জড়িত এবিষয়ে তারা কিছু বলেননি।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন,ছাত্রলীগের সাথে আমার কোনো কথা হয়নি।বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকও আমাকে হুমকি দেননি তবে কোনো কাজ করতে গেলে প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।আমি আমার ব্যক্তিগত কারণে প্রধান প্রকৌশলীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম।
বার্তাবাজার/এম.কে