‘স্ট্যাম্প দিয়ে শতাধিক বাড়ি মারে অনিক, বমিতেই নিস্তেজ আবরার’

আবরার হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ১৯ আসামির মধ্যে একজন ছাড়া বাকি সবাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এজাহারের বাইরেও আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ইতোমধ্যেই ৫ আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে জবাবন্দি দিয়েছেন। প্রত্যেকের বর্ণনায় উঠে এসেছে নৃশংস এক হত্যাকাণ্ডের বয়ান।

আবরার খুনের ঘটনায় এখনো বিহ্বল বাংলাদেশ। আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানিতেই পাওয়া গেছে আবরারের ওপর নেমে আসা নারকীয় এক রাতের বর্ণনা।

৬ অক্টোবরের সেই তাণ্ডবের পর ১০ অক্টোবর আদালতে প্রথম দোষ স্বীকার করেন ইফতি মোশাররফ সকাল। তিনি বলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিনের নির্দেশে আবরারকে শিবির সন্দেহে পেটানো হয়। ইফতি জানান, আবরারকে অনিক সরকার স্ট্যাম্প দিয়ে শতাধিক এলোপাতাড়ি মারধর করে।

পরদিন ১১ অক্টোবর। আদালতে মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন বলেন, শুধু স্ট্যাম্প নয় আবরারকে স্কিপিং রোপ দিয়েও মারা হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে মাটি থেকে তুলে আবারো পেটানো হয়। তিনবার বমির পর নিস্তেজ হয়ে যায় আবরার।

১২ অক্টোবর দোষ স্বীকার করেন এই মামলার অন্যতম আসামি অনিক সরকার ও মাজেদুল ইসলাম। অসামিদের অনেকেই বলেছেন, অনিক বেপরোয়াভাবে মারপিট করে আবরারকে।

১৪ অক্টোবর এই মামলার চার নাম্বার এজহারভুক্ত আসামি মেহেদি হাসান রবিনও দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এই মামলায় ১৯ আসামিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বার্তাবাজার/এম.কে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর