বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসারের উদ্যোগে জাতীয় সম্পদ ইলিশ মাছ রক্ষায় গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিয়াকত আলী সেখ পৌরসভাস্থ বারোদুয়ারী হাট-বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় মাছের বাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেন।
তবে বাজারে কোন ইলিশ মাছ পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বাজারে কারেন্ট জাল ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে কিনা তাও মোবাইল কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেন। তবে কারেন্ট জালও পাওয়া যায়নি। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মাসুদ এবং শেরপুর থানার পুলিশ সদস্যগণ মোবাইল কোর্টকে সহায়তা করেন।
এসময় মাছ ব্যবসায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশ মাছ রক্ষায় এগিয়ে আসুন, জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখুন। সরকার দেশ-জাতির বৃহত্তর স্বার্থে গত ০৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছেন।
এ সময় সমগ্র দেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় এবং বিনিময় নিষিদ্ধ এবং দ-নীয় অপরাধ। এই আইন লঙ্ঘনকারীকে ২ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। সরকারের বিধি-নিষেধ মেনে চলার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
বার্তাবাজার/এম.কে