ভারত রফতানি বন্ধ করায় মিয়ানমারের বাজার ধরতে দেশের ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামমুখী হওয়ায় লাগামহীনভাবে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে। চাহিদা দ্বিগুণ বাড়লেও প্রতিনিয়ত কমছে সরবরাহ। পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে আনার পথে নানা জটিলতায় পচে যাচ্ছে অধিকাংশ পেঁয়াজ। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সংকট সমাধানে নতুন বাজার খোঁজার পাশাপাশি সরকার হস্তক্ষেপ না করলে সংকট আরো তীব্র হবে।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে স্বাভাবিক সময়ে দিনে পেঁয়াজের চাহিদা সাড়ে ৩০০ টন। ভারত রফতানি বন্ধ করায় বিকল্প দেশ মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজের বাজার এখন খাতুনগঞ্জের দখলে। তাই সারা দেশের ব্যবসায়ীরা এ বাজারমুখী হওয়ায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ থেকে ৫০০ টনে। কিন্তু খাতুনগঞ্জে প্রতিদিন মিয়ানমারের পেঁয়াজ আসে মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের অধিকাংশই পঁচা। এতে ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।
পেঁয়াজ পচার জন্য অতিরিক্ত বোঝাই ও টেকনাফ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করলেন খাতুনগঞ্জ আহাদ এন্টারপ্রাইজের আমদানিকারক মো. আবদুল আহাদ।
এ অবস্থায় সংকট সমাধানে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যাবসায়ী কল্যাণ সমিতি সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পরিচালক সৈয়দ ছগির আহমেদ।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে ১০০ এর বেশি পেঁয়াজের আড়ত রয়েছে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি