আবরারের ছোট ভাই ফাইয়াজ অভিযোগ করে জানান, তার ভাইয়ের কবর জিয়ারত করতে কেউ আসলে তাকে জিয়ারত করতে না দিয়েই ফেরত পাঠিয়ে দেয় প্রশাসনের লোক ও পুলিশ সদস্যরা। অনেকেই তাদের সাথে দেখা করতে আসে, কিন্তু কাউকেই তাদের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেয় না প্রশাসনের লোকেরা।
আজ আবরারের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়াতে তার পরিবারের সাথে সাক্ষাত ও আবরারের কবর জিয়ারত করতে যান ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা মো. আতাউল্লাহর নেতৃত্বে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ শাখার নেতা-কর্মীরা। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সাথে নানা বিষয়ে সেখানে কথা বলেন তারা।
আবরারের মা-বাবা সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাদের ছেলের জন্য। আর কোনো মায়ের বুক যেনো খালি না হয়, অশ্রুশিক্ত চোখে আবরারের মা বারবার এ কথা বলেন। আবরারের দাদার কান্না যেনো থামছেই না আজ কয়েকটা দিন। তিনি বিলাপ করতে করতেই সারাদিন তার নাতিকে স্মরণ করতে থাকেন।
বার্তাবাজার/কেএ