র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের অভিযানিক দল কিশোরগঞ্জ সদর বত্রিশ বাসস্টেন্ড তাতিপাড়া অভিযান চালিয়ে কিশোর অপহরণ সাজ্জাদ গ্রুপের প্রধান সহ দশজন কে বত্রিশ এলাকা থেকে আটক করেছে।
র্যাব-১৪ সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক মো. মাহবুব-উল-আলম বার্তাবাজারকে জানান, গত ৭ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ শহরের বত্রিশ এলাকায় নতুন পল্লী সংঘ মন্দিরে দুর্গাপূজার রাতে আরতি চলার সময় কিশোর গ্যাং সাজ্জাদ গ্রুপের প্রধান সাজ্জাদ ও তার দলের সদস্যরা মেয়েদের উত্যক্ত করার মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এ সময় শুভ সরকার (১৬), প্রসেনজিৎ ঘোষ (১৭) এবং তনয় বর্মন বিকাশ (১৭) নামের তিন কিশোর বাধা দিলে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রাতে সাজ্জাদ গ্রুপের প্রধান সাজ্জাদ ও তার দলের সদস্যরা মিলে শুভ সরকার, প্রসেনজিৎ ঘোষ ও তনয় বর্মন বিকাশকে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহত শুভ সরকার কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে এবং প্রসেনজিৎ ঘোষ ও তনয় বর্মন বিকাশ ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ খবর পেয়ে র্যাবের একটি দল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় বত্রিশ বাসস্টেন্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাজ্জাদ গ্রুপের প্রধান সাজ্জাদসহ তার দলের ১১ সদস্যকে আটক করে।
আটকরা হলো-কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়াকান্দা গ্রামের আব্দুল আউয়ালের ছেলে কিশোর গ্যাং সাজ্জাদ গ্রুপের প্রধান সাজ্জাদ (১৭), কটিয়াদী উপজেলার গচিহাটা এলাকার মো. মোজাম্মেল হকের ছেলে আব্দুলাহ আল নোমান (১৬), একই উপজেলার করগাঁও গ্রামের মো. আইযুব হাজীর ছেলে মো. জুয়েল (১৬), জেলা শহরের উকিলপাড়া এলাকার মো. বুলবুল আহম্মেদের ছেলে মো. সানি আহাম্মেদ (১৬), স্টেশন রোড এলাকার ফজলুল মতিন সিদ্দিকির ছেলে ফজলুল করিম আকাশ (১৯), খরমপট্টি এলাকার সমির বৈষ্ণবের ছেলে সৌমিত্র বৈষ্ণব (১৬), বত্রিশ এলাকার মো. সুলতানের ছেলে ফজলে রাব্বি বাধন (১৮), একই এলাকার মুনসুর আলমের ছেলে মো. আনোয়ারুল ইসলাম (১৮), জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. ইয়াছিন ইসলাম (১৮), রাখাল দত্তের ছেলে হৃদয় দত্ত (১৬) ও মোফাজ্জল ইসলামের ছেলে মো. আদনান ইসলাম (১৬)।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আটকদের কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান র্যাবের এ কর্মকর্তা।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি