টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা জামুরিয়া ইউনিয়নের মধ্যকর্না গ্রামে কোন প্রকার প্রশিক্ষন না করে লাউ,শশা যৌথ ভাবে সবজি চাষ করে সাফল্য অর্জন গ্রামের দুই কৃষক।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলা মধ্যকর্না গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুল মজিদ,নিমাইয়ের ছেলে এনামুল এরা সম্পর্কে চাচা ভাতিজা তাদের ২বিঘা জমিতে জামালপুর পদ্ধা কোম্পানীর বীজ মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া ডিলারের কাছে থেকে এনে হাইব্রীড জাতের ইস্পাহানী,ও নয়নতারা ,শশা বীজ ম্যাডাল নয়নতারা লাউবীজ এনে বপন করে সফলতা পেয়েছে।
সাধারনত এগুলো ভাদ্র মাসের শুরুতে বপন করতে হয় ।কার্ত্তিক অগ্রাহায়ন মাসে মোট ৩৫ থেকে৪৫ দিন পরে ফলন আসে ।মৌসুমে বিঘাতে ১০০মন শশা যা বর্তমান বাজার মুল্য ৮০০থেকে৯০০ টাকা মন বিক্রি করা হয় আর শশা বিক্রি হয় ৩৫০ টাকা মন।
সবজি চাষ করে কর্না গ্রামের এনামুল তার ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে সংসার চালাচ্ছে।তবে তিনি জানান আমার কোন প্রকার প্রশিক্ষন নেই প্রথমে ৭০ ডিসিমল জমিতে পরীক্ষামুলক সবজি চাষ করে লাভ বান হই পরবর্তীতে সংসার চালানোর পাশাপাশি বিক্রির জন্য সবজি চাষ করে থাকি।
যৌথ চাষি আব্দুল মজিদ জানায় আামি ১০ বছর আগে থেকে কিছু কিছু সবজি চাষ করি পরে এটাকে আমি বর্তমানে পেশা হিসেবে নিয়েছি ।উপজেলা থেকে কোন কৃষি অফিসার তদারকির জন্য আসে কিনা জানতে চাইলে দুজনে জানায় আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোন লোক অফিস থেকে আসেনি।
আমরা যদি সরকারী ভাবে একটা প্রশিক্ষন পেতাম তাহলে কিভাবে ভালো ফলন পাওয়া যায় তা শিখতে পারতাম।
বার্তাবাজার/এম.কে