জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশ ২০৫০ সালের পর জনবসতিহীন হয়ে যেতে পারে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত একটি দেশ হচ্ছে জর্দান। সেখানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
ডেড সী সংকুচিত হচ্ছে, অনেক বাড়িতে সপ্তাহে মাত্র কয়েক ঘন্টা করে পানি থাকে। জর্দান কি ভবিষ্যতে পানিশূন্য হয়ে যাবে?
প্রতি বছর ডেড সিতে পানির স্তর এক মিটার করে কমছে। যে জর্দান নদী দিয়ে এখানে পানি আসে, সেটি প্রায় শুকিয়ে গেছে। ডেড সিতে আসার আগেই এটির সব পানি তুলে নেয়া হচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তনের ধাক্কা সবচেয়ে বেশি লেগেছে গ্রামাঞ্চলে।
বহু মানুষ গ্রাম ছেড়ে শহরে চলে গেছে। জর্দানে এসে আশ্রয় নিয়েছে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী। মধ্যপ্রচ্যের বিভিন্ন যুদ্ধকবলিত দেশ থেকে। জর্দানে অনেক বেশি মানুষ কিন্তু পানির স্বল্পতা অনেক বেশি। কাজেই সরকার মাটির নিচ থেকে পানি তুলছে। ভূগর্ভে পানির স্তরে জমে থাকা পানি।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভূগর্ভের পানি দিয়ে বড়জোর ৫০ বছর চলবে। ৫০ বছর পর আরও গভীর স্তরে যেতে হবে এবং তা এতো ফুরিয়ে যাবে যে, আর আগের অবস্থায় আসবে না।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি