লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে পাওনা টাকার অজুহাতে লোকজনকে মারধরসহ সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কামরুল মাঝির বিরুদ্ধে। একক আধিপত্য আর দাপট দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে বলেও অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। হামলা শিকার হয়ে আব্দুল কুদ্দুছ মাঝিসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। উপজেলার রামদয়াল বাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত কামরুল মাঝি একই এলাকার মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনো আতংকে আছে এলাকাবাসী।
হামলার ঘটনায় ১৪ জনকে আসামী করে রামগতি অ ল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী আব্দুল কুদ্দুছ।
মামলার এজাহার ও অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, অভিযুক্ত কামরুল মাঝি ইটভাটার জন্য অগ্রিম টাকায় দিয়ে স্থানীয় আকরাম নামে এক শ্রমিক নিয়োগ দেয়। কাজের মৌসুম শেষে তার নিকট থেকে ৩০ হাজার ৯ শ টাকা পাওনা থাকে কামরুল মাঝি। পরবর্তীতে স্থানীয় আব্দুল কুদ্দুছের সহায়তায় ওই টাকা পরিশোধ করা হয়। অথচ এক মাস পর পুনরায় ওই টাকা দাবী করে আকরামকে ধরে নিয়ে যায় অভিযুক্ত কামরুল মাঝি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রামদয়াল বাজারের জিরোপয়েন্ট এলাকায় হত্যার উদ্দেশে কুদ্দুছকে লাথি, ঘুষি, লোহার রড ও লাঠি মারধর করে কামরুল মাঝি ও তার লোকজন। এসময় তার সাথে নগদ ৭০ হাজার টাকা ও ১২ হাজার টাকা মূল্যে একটি মোবাইল সেট নিয়ে যায় তারা। একপর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান স্থানীয়রা। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত কামরুল বলেন, পাওনা টাকা খুঁজতে গিয়ে হামলা শিকার হন তিনি। এসময় তাকে বঁচাতে এগিয়ে আসলে তার ছেলে সোহেল ও সহপাঠি সুমনকে মারধর করে কুদ্দুছ মাঝির লোকজন। কুদ্দুছ মাঝি খারপা প্রকৃতি লোক বলে অভিযোগ করেন কামরুল মাঝি। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিবেন বলেও জানান তিনি।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি