ধামরাইয়ে দীর্ঘ ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি যে রাস্তায়!

ঢাকা

মোঃ আল মামুন, ধামরাই (সাভার) প্রতিনিধি: ঢাকার ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়ন। বংশী নদী সংলগ্ন একটি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন জনগনের বহুল ব্যবহৃত একটি মাটির রাস্তা। আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে বালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মিনহাজউদ্দিন গাঁওতারা থেকে পাড়াগ্রাম পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৫ কি.মি.মাটির রাস্তাটি নির্মাণ করেন। এরপর পার হয়ে গেলো প্রায় চারটি দশক; কিন্তু রাস্তাটি সেই আগের মতই রেয়ে গেলো।

সরেজমিন দেখা যায়, এই এলাকায় বসবাসরত সাধারণ মানুষ এই রাস্তাটিই ব্যবহার কিরেন যোগাযোগের সুবিধার্থে সময় বাঁচানোর জন্য।

এই রাস্তার ভিতরে তিনটা ব্রিজ। প্রতিটা ব্রিজের মাথা থেকে জরাজীর্ণ, ধুলায় ধুষরিত রাস্তা ব্যবহারকালে জনগন অতিস্ট। সরকারি খাতায় বংশী নদী সংলগ্ন বেড়িবাধ রাস্তা হিসেবে পরিচিত রাস্তাটি।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী গণমাধ্যমের দ্বারা প্রশাসনের নিকট জানতে চান,কিন্তু বাঁধের জন্য যে উন্নয়ন বরাদ্দ আসে, তার ভিতরে কি এই রাস্তাটির জন্য বরাদ্দ এসেছে? আর আসলে তা কোথায় যায়?

৩ নং বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষকলীগ, ধামরাই উপজেলা আহমদ হোসেন এর কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই রাস্তার বক্সাপারে কাজটি প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে তদবিরের অভাবে কাজটি পেন্ডিং পড়ে আছে।

তিনি জানান, এই রাস্তার জন্য ইতোমধ্যে প্রায় দুই কোটি টাকার মত বরাদ্দ এসেছে। এলজিইডি ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী ইউসুফ সাহেব ব্যাপারট অবগত আছেন।

ধামরাই উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ইউসুফ হোসেনের মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চেয়ে কল করা হলেও তিনি ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায় নাই।

এখানকার অধিবাসীরা আরও জানান, গাওতারা, বনেরচর, আমছিমুড় গ্রামের মানুষ পৌর শহরে যেতে সহজ পথ হিসেবে এটা ব্যবহার করে। কিন্তু তদবির করার লোক না থাকায় দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর যাবত এই বেড়িবাঁধ সকারি কোনো অনুদান পেতেও বাস্তবায়ন অদ্যাবধি হয় নাই। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের স্বার্থে অন্য কোথাও কাজের বরাদ্দ কেটে নিয়ে যাচ্ছে এমনো অভিযোগ নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী।

একটা স্কুল পড়ে এই পথে। আমছিমুড় সেসিপ মডেল হাইস্কুল। এই বিদ্যালয়ের প্রায় ৫/৬ শত ছাত্রছাত্রী এই রাস্তাটি ব্যবহার করে। তবে বর্ষাকালে ছাত্রছাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায় বলে জানিয়েছে ছাত্রছাত্রীরা।