মানিকগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জেলা আ’লীগের পক্ষ থেকে বিজয়ী গণসংবর্ধনা

ঢাকা

এম আজাদ হোসেন,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ মালেক স্বপনকে বিশাল গনসংবর্ধনা দেয় মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ । শনিবার বিকেল ৩ টায় শহরের বিজয় মেলা মাঠে প্রাঙ্গনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,‘আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার এ সরকারের আমলে বাংলাদেশে শিক্ষা, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যার কারণে জনগণ এবারের নির্বাচনে নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে। আমি মানিকগঞ্জ বাসিকে ধন্যবাদ জানাই যে আপনারা আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন যার ফলে দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন।’ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে জনগণকে এমন আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘১ বছরের মধ্যবর্তী শিশুকে এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক সকল মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে।

তিনি আরও বলেন শেখ হাসিনা দুর্নীতি দূর করবে, জঙ্গিবাদ দূর করেছে।’ মানিকগঞ্জের উন্নয়নের ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, ‘মানিকগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এখানে মেডিকেল কলেজ হয়েছে, রাস্তাঘাট হয়েছে, সর্বোপরি সকল খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আমার উপর আস্থা রেখেছেন তাই আমাকে এতো বড় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন আর এটা সম্ভব হয়েছে কারণ আপনারা আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে প্রথম মানিকগঞ্জে প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী দিয়েছেন তাই প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে এবং সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মন্ত্রী তার বক্তব্য শেষ করেন।

মানিকগঞ্জ বিজয় মেলার মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপনের স্ত্রী শাবানা মালেক, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, পৌর মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিমসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

সংবর্ধনা সভায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জ শহড় গণজোয়ারে পরিণত হয়। নানা রঙে সাজানো হয়েছিল শহরের প্রবেশ পথ। সংবর্ধনা ঘিরে আইন শৃৃৃঙ্খলা বাহিনির ছিল বাড়তি নিরাপত্তা।
সংবর্ধনা শেষে আতশবাজি ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।