শেরপুর জেলার শ্রীবরদী পৌর শহরের স্থানীয় শহীদ মিনারের সামনে শেরপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান।
শ্রীবরদী পৌরসভা কর্তৃক শহরের নির্ধারিত স্থানে গোশত বিক্রয়ের জন্য কয়েক লক্ষ টাকা ব্যয়ে পাকা স্যাড নির্মাণ করে দেওয়া হলেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নাম ভাঙ্গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্র বলে পরিচিত চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন শহীদ মিনারের সামনে পৌর আইন অমান্য করে গড়ে উঠেছে গোশতের দোকান।
এতে করে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টের পাশাপাশি পঁচা দূর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে ব্যস্ততম সড়কের পাশে গোশতের দোকান গড়ে উঠায় প্রায় সময়ই দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা। এবিষয়ে জানতে চাইলে গোশতের দোকানদার সেলিম মিয়া জানান উপর মহলের নির্দেশেই এখানে দোকান দিয়েছি।
শ্রীবরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম বলেন, শহীদ মিনারের সামনে গোশতের দোকান গড়ে উঠায় ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের চরম অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
৫২ ভাষা আন্দোলন ও ৭১ মহান মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ মিনারের পরিবেশ রক্ষায় উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় গোশতের দোকান উচ্ছেদের লক্ষ্যে আলোচনা করা হলেও দীর্ঘ দিনেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এ প্রসঙ্গে শ্রীবরদীর ইউএনও সেঁজুতি ধর বলেন, এর আগেও দু’বার গোশতের দোকান উচ্ছেদ করা হলেও ফের বাসানো হয়েছে। অবিলম্বে আবার তা উচ্ছেদ করা হবে।
বার্তাবাজার/এম.কে