গত শনিবার গভীর রাতে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতার মাঝেরচর সংলগ্ন বলেশ্বর নদী থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক সোবাহান (৫৫) উপজেলার চরদুয়ানী বাজারের হোচেন আলীর ছেলে। মাংসসহ তাকে পাথরঘাটা থানায় সোপার্দ করা হয়েছে। পাথরঘাটা স্টেশনের কোস্টগার্ড কমান্ডার লে. বিশ্বজিত বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্বজিত জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তার বাহিনী বিশখালী ও বলেশ্বর নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় হরিণ শিকারিরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ইঞ্চিনচালিত নৌকাভর্তি হরিণের মাংস নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
পরে তাদের ধাওয়া করলে নৌকা থেকে নদীতে লাফ দিয়ে কয়েকজন শিকারি পালিয়ে যায়। এ সময় শিকারি সোবাহানকে আটক করা হয়েছে। তার নৌকা তল্লাশি করে ৭৫০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করা হয়।
হরিণ শিকারি সোবাহান জানান, তারা সুন্দরবনের দর্জারখাল এলাকা থেকে ১৫টি হরিণ শিকার করেন। তার সঙ্গে থাকা ৬ শিকারি নদীতে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে গেছে। তিনি অসুস্থ থাকায় পালাতে পারেননি।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট মো. হুমায়ুন কবির জানান, মাংসগুলো আমার উপস্থিতিতে কেরোসিন দিয়ে নষ্ট করা হয়েছে। আটক শিকারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হরিণের চামড়া ও মাথা উদ্ধার করা হবে।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি