আজিমপুরে ইয়াবা ঢুকিয়ে সাংবাদিককে ফাঁসানোর চেষ্টা ও ১১ সাংবাদিককে লাঞ্ছনার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কর্মরত প্রগতিশীল সাংবাদিকেদের সংগঠন ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব’। জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জগেশ রায় এক যৌথ বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রোববার জবি প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ইমরান খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিবৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা কাজী মোবারক হোসেন (বিডিনিউজের স্টাফ রিপোর্টার) এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইমরান আহমেদ অপুসহ ১১ সাংবাদিককে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রগতিশীল সাংবাদিকদের সংগঠন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।
জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিকেরা সমাজ তথা রাষ্ট্রের দর্পণ। সাংবাদিকদের সাথে এহেন অপকর্ম মেনে নেয়া যায় না। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অতিদ্রুত জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এাঁ কোন সভ্য সমাজের পুলিশ বাহিনীর আচরণ হতে পারে না।
প্রসঙ্গত, রোববার রাত ২ টা নাগাদ বিবাহোত্তর সংবধর্না অনুষ্ঠান শেষে বিডিনিউজ২৪ এর সাংবাদিক ও জবি প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা কাজী মোবারক হোসেন আজিমপুর বটতলা নিজ বাসভবনের সামনে পৌঁছলে তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) ও ভাতিজা রিয়াদ (২১) এর কাছে ইয়াবা আছে দাবি করে মারধর করেন লালবাগ থানার এস আই কালাম।
এসময় প্রতিবাদ করলে কাজী মোবারক হোসেনকে জোর করে গাড়িতে ওঠানোর চেষ্টা করে এস আই কামাল ও এক কনস্টেবল এবং জোড় করে পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকি দেন পুলিশ সদস্যরা।
উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিকরা বাঁধা দিলে লালবাগ থানার (ওসি-অপারেশন) এস আই আসলাম এনটিভির সাংবাদিক ও জবি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম শাহীনকে থাপ্পড় মারেন। এসময় বাঁধা দিতে গেলে আরও ৯ সাংবাদিক শারীরিকভাবে লাি ত হন।
বার্তাবাজার/এম.কে