দ্বীপ জেলা ভোলার কৃতি সন্তান মাকসুদুর রহমান, ২০০১ সালের পর বহুবার রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে কারাবরন করেছিল। বহুবার গুরুতর আহত হয়েছিল, নেত্রী ২০০৩ সালে হাসপাতালে দেখতে এসেছেন খোজ খবর নিয়েছেন। ২০০৭ সালের ১/১১ সেনা সমর্থিত সরকারের সময় প্রিয় নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন করতে গিয়ে রাস্ট্রদ্রোহী মামলার আসামী ছিলেন।
ছাত্র জীবন থেকেই রাজনৈতিক জীবনের হাতে খড়ি। (দেবাশীষ-স্বপন কমিটি ১৯৯৮-২০০৩) সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। (রিপন-সাঈদ কমিটি ২০০৩-২০১০), সাবেক স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। (রিপন-রোটন কমিটি) সাবেক সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।
আওয়ামীলীগের দু:সময়ের কান্ডারী নন্দিত এই নেতা বর্তমানে একশ্রেণীর অতি উতসাহী ও বিতর্কিত হাইব্রীড নেতাদের রোষানলে গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার। তার বিরুদ্ধে চলছে ঘৃণ্য চক্রান্ত। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার রাজপথের দুঃসময়ের দূর্দিনের কর্মী,একজন এমপি আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে,মিথ্যা নিউজ করে ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে” ১৯৯৩ সালে ক্লাস নাইনে পড়ি,তখন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ঢাকার রাজপথে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত সতের বছর। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়ে যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আট বছর। দীর্ঘ রাজনীতির জীবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে সংগঠনের জন্য কাজ করছি।
আমার পিতা ছিলেন ১৯৬২ সাল থেকে আওয়ামী লীগের নেতা,রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, আদর্শবান স্কুল শিক্ষক। তিনি ১৯৯৫ সালে ইন্তেকাল করেছেন। পিতার আদর্শে বড় হয়েছি। কখনো কোন অন্যায় করিনি,অন্যায় কে প্রশ্রয় দেইনি। আমরা যারা নেত্রীর রাজপথের কর্মী,আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে রাজপথ থেকে সরাতে পারবে না। একজন এমপি বিগত সময়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নিউজ করিয়েছে। বার বার অপপ্রচার চালিয়েছেন। প্রিয়নেত্রী যতবার তাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন, তার জন্য কাজ করেছি। কিন্তু তার প্রতিহিংসা থামেনি। গত পরশু দৈনিক প্রথম আলো, গত কাল কালের কন্ঠ, আজ বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় খুবই বাজে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নিউজ করিয়েছেন। সকলের কাছে অনুরোধ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার রাজপথের তৃণমূলের পরীক্ষিত সৈনিকদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
ফেইসবুক ভাইয়েরা আপনারা যারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছেন,ওই এমপি ঘোষণা দিয়েছেন মিথ্যা নিউজের মাধ্যমে আমাকে গ্রেফতার করাবেন।ঢাকার রাজপথে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে যারা আমাকে চিনেন, তারা যানেন আমি জীবনে কোন ক্লাবে যাইনি,ক্যাসিনোর সাথে আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। গত কয়েকদিন জাতীয় পত্রিকায় সেলিম প্রধান, জিকে শামীম ও খালিদের সহযোগী বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর নিউজ ছাপা হচ্ছে। এদের কারো সাথে আমার কোন প্রকার যোগাযোগ কিংবা সম্পৃক্ততা নেই।
২০০১ সালের পর বহুবার রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে কারাবরন করেছি।বহুবার গুরুতর আহত হয়েছি, নেত্রী ২০০৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি হাসপাতালে দেখতে এসেছেন খোজ খবর নিয়েছেন। বহুবার চিকিৎসার খরচ দিয়েছেন। ২০০৭ সালের ১/১১ সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রিয় নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন করতে গিয়ে রাস্ট্রদ্রোহি মামলার আসামী ছিলাম, রাজপথ থেকে সরিনি। যৌথ বাহিনী বহুবার চেষ্টা করেছে গ্রেফতার করতে। কিন্তু স্থির ছিলাম নেত্রীর মুক্তি ছাড়া রাজপথ ছাড়বো না।
আজ মমতাময়ী নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। কে সরাবে রাজপথ থেকে। যুবসমাজের নন্দিত নেতা যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ঢাকার লক্ষ লক্ষ যুবকের আস্থার ঠিকানা ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ এর সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি প্রিয়নেত্রীর রাজপথের কর্মী,প্রিয়নেত্রীর সকল কর্মসূচী সফল ভাবে পালনের জন্য কাজ করি।
আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে কোন লাভ নেই। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের ষড়যন্ত্র বিফলে যাবে।
আত্নবিশ্বাস আছে ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই। ষড়যন্ত্র আগেও বহুবার হয়েছে,এখনো চলছে। বেঈমান যারা তারা হারিয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ আমাদের জয় হবেই। কারন প্রানের নেত্রী তৃনমুলের ত্যাগী পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের খুবই ভালবাসেন।