সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় একই রাতে দুই স্কুল ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করেছেন সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান।
সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের হরিনা গাবতলা গ্রামে দশম শ্রেণীর ছাত্রী তৃপ্তি খাতুন (১৪) ও বহুলী ইউনিয়নের হরিনহাটা গ্রামে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী তানজিলা খাতুন (১৩) এর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।
রোববার (৬ অক্টোবর) আদালত সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহ গুলো বন্ধ করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত রতনকান্দি ইউনিয়নের হরিনা গাবতলা গ্রামে সংগীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে অভিযান চালান। তখন কনের বাড়ীতে কনে সদর উপজেলার হরিনা গাবতলা গ্রামের মো. ওয়ারেজ আলী এর কন্যা তৃপ্তি খাতুন (১৪) এর সাথে কাজীপুর উপজেলার গান্ধাইল গ্রামের মো. সামসুল হকের এর পুত্র সোহরাওয়ার্দী (২৫) এর বিয়ের আয়োজন চলছিল।
পরে কনের বাবাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কনের বাবার কাছ থেকে কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত বহুলী ইউনিয়নের হরিনহাটা গ্রামে অভিযান চালান। তখন কনের বাড়ীতে কনে হরিনহাটা গ্রামের মো. লুৎফর রহমান এর কন্যা তানজিলা সুলতানা (১৩) এর সাথে জোয়ালভাংগা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম এর পুত্র সুমন (২২) এর সাথে বিয়ের আয়োজন চলছিল।
আইনশৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে বরপক্ষ পালিয়ে যায়। কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। কনের বাবার কাছ থেকে কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে মুচলেকা নেয়া হয়। বাল্যবিবাহগুলো বন্ধে সহযোগিতা করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাহিমা আল আশরাফ ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যবৃন্দ।