২৫, জুন, ২০১৮, সোমবার | | ১১ শাওয়াল ১৪৩৯

ধোনিকে নেতা হিসেবে পেতে মরিয়া ছিলেন টেন্ডুলকার

আপডেট: মে ১২, ২০১৮

ধোনিকে নেতা হিসেবে পেতে মরিয়া ছিলেন টেন্ডুলকার

২০০৭ সালে আচমকা ভারতীয় দলের নেতৃত্ব পেয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি! এতে ক্রিকেট বোদ্ধাদের অনেকের চোখ কপালে উঠেছিল! তবে মোটেও অবাক হননি দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার। চমকে যাবেন-ই বা কেন? তিনি তো মনেপ্রাণেই নেতা হিসেবে পেতে চেয়েছিলেস ধোনিকে।

শোনা যায়, আনকোরা এক নতুন মুখকে অধিনায়কত্বের ভার দেয়ার নেপথ্যে বড় ভূমিকা ছিল তখনকার ভারতীয় দলের বেশ কজন সিনিয়র ক্রিকেটারের। তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন টেন্ডুলকার। তা ধোনির মধ্যে লিটল মাস্টার এমন কী দেখেছিলেন, যার জন্য নেতা হিসেবে তাকে পেতে মরিয়া ছিলেন! অবশেষে পাওয়া গেল সেই উত্তর।

একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শচীন ফাঁস করেন, ফিল্ডিং করার সময় ধোনির সঙ্গে আলোচনায় বুঝতে পেরেছিলাম তার মধ্যে নেতা হওয়ার সব গুণাবলি আছে। সিংহভাগ ম্যাচে আমি স্লিপে ফিল্ডিং করতাম, তার সঙ্গে প্রতিনিয়ত আলোচনা হতো। ফিল্ডিং পজিশন কী হতে পারে তা নিয়ে কথা বলতাম। নিজের মতামত জানাতাম। তাকে মতামত দিতে বলতাম। এভাবে কথা চলাচালিতেই ওর মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী খুঁজে পাই।

অবশ্য ভুল অনুমান করেননি ক্রিকেট ঈশ্বর। এ ধোনিই তো এখন ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়কের খেতাবপ্রাপ্ত। তার অনন্যাসাধারণ নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে ভারত। ঘরে তোলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা। পাশাপাশি টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে দলকে তোলেন সিংহাসনে।

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অনিন্দ্যসুন্দর অধিনায়কত্বের জন্য ধোনির গায়ে সেঁটেছে ক্যাপ্টেন কুলের তকমা। আর তার প্রশংসায় শচীনের পঞ্চমুখ হওয়াটাও সঙ্গত। কারণ, ওর অধীনেই তো অধরা ওয়ানডে বিশ্বকাপের সোনার টাইটেলটা ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন পূরণ হয় সেঞ্চুরির সেঞ্চুরিয়ানের।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণকে বিদায় জানান ধোনি। এর বছর তিনেক পর ওয়ানডের লিডিংকেও গুডবাই জানান। তার স্থলাভিষিক্ত হন বিরাট কোহলি। এ রানমেশিনের হাত ধরে ক্রিকেটের নতুন যুগে প্রবেশ করে ভারতের ক্রিকেট।