প্রত্যাশা ছিল মেলেনি প্রাপ্তি। বাঁচাও হকি’র স্লোগান নিয়ে যিনি হয়েছিলো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে সেই মমিনুল হক সাঈদই আজ নিজেকে বাঁচাতে ব্যস্ত।
ফলে দিনে দিনে গভীর থেকে আরো গভীরতর সংকটে দেশের হকি। যদিও বর্তমান কমিটির সহ সভাপতি বলছেন, সবকিছু চলছে পূর্বের সূচি মেনে।
তবে সাবেকদের মতে, সাধারণ সম্পাদক ইস্যুতে যে কালিমা লেপন হয়েছে দেশের হকিতে। তা ঘুঁচবে না সহসাই। রাজনীতি থেকে খেলার মাঠ। সবকিছু যেন টালমাটাল এক ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে। সবচাইতে বেশি ঝড়টা যাচ্ছে হকি ফেডারেশনের ওপর দিয়ে।
ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির যে কয়েকজন হোতা, তাদের একজন আরামবাগের ওয়ার্ড কমিশনার ও হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক সাঈদ। অনেকের মতে, বর্তমানে যিনি সিঙ্গাপুরে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাই শীতনিদ্রায় দেশের হকি।
গত এপ্রিলে দায়িত্ব নেয়ার পর সাধারণ সম্পাদক বলেছিলেন সেপ্টেম্বর অক্টোবরেই হবে প্রিমিয়ার লিগ। জাতীয় দলকে খেলানো হবে প্রীতি ম্যাচও। তবে আদতে বয়স ভিত্তিক পর্যায়েই আটকে আছে দেশের হকি।
সাবেকরা বলছে এমনিতেই দেশের হকি নিয়ে অনীহা পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানদের। তার ওপর ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ।
এ থেকে উত্তরণের জন্য যত দ্রুত সম্ভব মাঠে খেলা ফেরানোর তাগিদ তাদের। সঙ্গে অভিযুক্তদের বাদ দিয়ে আহ্বান, ঢেলে সাজানো হক বাহফে’কে।
বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের সাবেক অধিনায়ক এহসান রানা বলেন, যিনি এটার সাথে জড়িত তিনি হয়তো হকি ফেডারেশনের সেক্রেটারি। উনি ব্যক্তিগত জীবনে অনেক কিছুর সাথে জড়িত থাকতে পারে।
আমার মনে হয় গুছিয়ে এখন পর্যন্ত কোন প্রোগ্রাম করতে পারেনি হকি ফেডারেশন। বিশেষ করে জাতীয় দলে কোন প্রোগ্রাম তারা দিতে পারেনি।
সরেজমিনে ফেডারেশনে গিয়ে দেখা গেলো ওমান যুব দলের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজ নিয়েই ব্যস্ত সবাই। প্রিমিয়ার লিগ কবে হবে জানেনা কেউই। জানেনা দেশের হকির ভবিষ্যত-ই-বা কি!
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সহ সভাপতি আব্দুর রশিদ শিকদার বলেন, সে একজন ভালো ব্যবস্থাপক, এটার বাইরে সে কিছু করলে সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। সেটা তদন্তের ব্যাপার। আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। আমারা দ্রুততম সময়ে কার্যকর গ্রহণ করবো।
তাইতো প্রশ্ন থেকে যায়! শেষ পর্যন্ত সব অভিযোগ মাথায় নিয়ে ফেডারেশন থেকে কি পদত্যাগ করবেন মমিনুল হক সাঈদ! নাকি তার পদ স্থগিত করবে এনএনসি। এসব উত্তর জানার জন্য অপেক্ষায় থাকতেই হচ্ছে।
বার্তাবাজার/কেএ