ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বিদেশি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে গেছেন। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) যে সময়ে তিনি যোগ দিয়েছেন, ততদিনে তার দল জ্যামাইকা তালাওয়াশ প্লে অফ থেকে ছিটকে গেছে। হাতে ছিল লিগ পর্বের দুই ম্যাচ।
ওই দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেননি বাংলাদেশের হার্ডহিটার লিটন দাস। তবে গেইল-স্মিথ সমৃদ্ধ জ্যামাইকার পুরো দলই খারাপ খেলেছে। অন্যদিকে বার্বাডোজের হয়ে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছেন সাকিব আল হাসান।
লিগ পর্বে জ্যামাইকা তালওয়াসের দুই ম্যাচ বাকি থাকতে দলটিতে যোগ দেন লিটন। একটিতেও জয় আসেনি। তার ওপর গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গায়ানা আমাজন ওয়ারিওর্সের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে ৭৭ রানে হেরেছে লিটনের দল জ্যামাইকা।
আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৫৬ রান তুলেছিল গায়ানা আমাজন। এই স্কোর তাড়া করতে নেমে ৭৯ রানে অলআউট হয় জ্যামাইকা। ইনিংসে গ্লেন ফিলিপসের সঙ্গে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ ২১ রান এসেছে লিটনের ব্যাট থেকে। ২৫ বলের এই ইনিংসে দুটি চারের মার ছিল।
মজার ব্যাপার হলো, সিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচেও ২১ রান করেছিলেন লিটন। দুই ম্যাচেই ২১+২১=৪২ রানে শেষ হলো তার ক্যারিবিয়ান লিগ যাত্রা। দেশের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার হলেও জ্যামাইকার হয়ে উইকেটের পেছনে দেখা যায়নি লিটনকে।
অন্যদিকে বার্বাডোজের হয়ে এ পর্যন্ত তিন ম্যাচ খেলে দুটিতে জয়ের মুখ দেখেছেন সাকিব। প্রথম ম্যাচে হারলেও তার বোলিং ফিগার ছিল ৪-১-১৪-১। ব্যাট হাতে করেন ২৫ বলে ৩৮ রান। পরের ম্যাচে ২১ বলে ২২ রানের পাশাপাশি ২০ রানে নেন ১ উইকেট।
আর পরশু ত্রিনবাগোর বিপক্ষে ২৫ রানে ২ উইকেটের পাশাপাশি করেন ১৪ বলে ১৩ রান। তার দল ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে আছে।
বার্তাবাজার/কেএ