মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় সন্তান প্রসব করানোর সময় এক নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।প্রসূতি হাফসা বেগমকে (২২) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর প্রভাতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।তবে তার অবস্থা গুরুতর।
রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে টেকেরহাট সিটি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর অসুস্থ হাফসা বেগম গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বরইতলা গ্রামের সাদ্দাম শেখের স্ত্রী।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, রোববার রাত ১২টার দিকে হাফসা বেগমের প্রসব বেদনা ওঠে। পরে দ্রুত তাকে টেকেরহাট সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় কোনো চিকিৎসক না থাকায় কথিত নার্স ও আয়া দিয়ে সন্তান প্রসব করানোর চেষ্টা করা হয়।
টানাহেঁচড়ার একপর্যায়ে গোপনাঙ্গ কেটে বাচ্চা বের করার সময় বাচ্চার মাথা কেটে যায়। পরে রাত ১টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু ঘটে।
প্রসূতির অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে সিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাড়াহুড়ো করে তাকে অন্যত্র চিকিৎসার কথা বলেন।
হাফসার মামা মাসুদ শেখ জানান, চিকিৎসক না থাকায় নার্স ও আয়া দিয়ে টানাহেঁচড়া করে আমার ভাগ্নির বাচ্চাকে মেরে ফেলেছে। ভাগ্নির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।
সিটি হাসপাতালের মালিকপক্ষের মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের হাসপাতালে আনার আগেই বাচ্চাকে টানাহেঁচড়া করা হয়েছে। পরে অবস্থা খারাপ দেখে আমাদের এখানে ভর্তি করা হয়। আমরা প্রসব করানোর পরে দেখি বাচ্চা মৃত।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ চন্দ্র মণ্ডল জানান, ঘটনা আমি শুনেছি। সিটি হাসপাতালে গিয়ে সবকিছু জেনে ব্যবস্থা নেব।
টেকেরহাট থানার ওসি মো. শাহজাহান জানান, কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।
বার্তাবাজার/এএস