নাটোরের বড়াইগ্রামে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিচয়ে বিয়ে করায় মাসুদ রানা নামে এক আনসার সদস্যকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
জানা যায়, পেশায় আনসার সদস্য হলেও মাসুদ রানা নিজেকে পরিচয় দিতেন পুলিশের এসআই বলে। সম্প্রতি তিনি বিয়েও করেছেন এই পরিচয় ব্যবহার করে। তারপর থাকতে শুরু করেন শ্বশুরবাড়িতে। কিন্তু এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। এরপর পুলিশ এসে তাকে আটক করে। তার ঘর থেকে পুলিশের পোশাক, বেল্ট, ক্যাপ, জুতা এবং এসআই-এর পোশাক পরা ছবি জব্দ করা হয়।
রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অভিযুক্ত মাসুদ রানাকে আদালতে হাজির করলে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অভিযুক্ত মাসুদ রানা বাগাতিপাড়া উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামের আফসার আলীর ছেলে।
মামলার তদন্তকর্মকর্তা এসআই শামসুল ইসলাম এবং বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এসআই শামসুল ইসলাম জানান, পুলিশের এসআই পরিচয়ে মাসুদ রানা সম্প্রতি বড়াইগ্রাম উপজেলার গোয়ালফা গ্রামে বিয়ে করে। বিভিন্ন জায়গায় গেলে নিজেকে পুলিশের এসআই বলত সে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে রাতে তার আবাসস্থলে অভিযান চালিয়ে পুলিশের ব্যবহৃত পোশাক, বেল্ট, ক্যাপ ও জুতা এবং ঘরে টাঙানো পুলিশের পোশাক পরিহিত বাঁধাই করা ছবি জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে তাকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে।
ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, পেশায় মাসুদ রানা একজন আনসার সদস্য। বিভিন্ন ভোটের সময় সে আনছার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু পুলিশের এসআই পরিচয়ে বিয়ে করা, পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে সে প্রতারণা করেছে। রবিবার বিকালে শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস