জুয়ার সরঞ্জাম সন্দেহে শনাক্ত আরো ১৫ চালান, তলব ১৮

ক্যাসিনো ও জুয়ার সরঞ্জাম সন্দেহে আরো ১৫টি চালান শনাক্ত করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এসব সরঞ্জাম আমদানির বিষয়ে শুনানিতে অংশ নিতে ১৮ আমদানিকারককে তলব করেছে সংস্থাটি।

এছাড়া ক্যাসিনোতে ব্যবহৃত সরঞ্জাম আমদানি নিষিদ্ধ না হওয়ায় আমদানি নীতি সংশোধনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দার অতিরিক্ত মহাপরিচালক নেয়াজুর রহমান।

রাজধানীর বুকে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া অবৈধ ক্যাসিনোগুলো কিভাবে আনছে জুয়ার সরঞ্জাম? এ প্রশ্ন ওঠার পরই কয়েক দিনের অনুসন্ধানে খেলা ও বিনোদনের সামগ্রীর আড়ালে ক্যাসিনো সরঞ্জাম আমদানির ৩০টি চালান সনাক্ত করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এরই মধ্যে শুনানিতে অংশ নিয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন দুই জন আমদানিকারক ও একজন সিএন্ডএফ এজেন্ট। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শুনানিতে অংশ নিয়ে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পুষ্পিতা ট্রেড এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী সুরঞ্জন সেন তাপস বলেন, কাস্টমস আইন মেনেই তিনি ক্যাসিনো সামগ্রী আমদানি করেন এবং একজন ক্রেতার কাছে বিক্রি করেন।

তিনি বলেন, পণ্যটি আমদানি করেছি। নিয়ম অনুসরণ করে, কাস্টমসের সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে এবং শুল্ক পরিশোধ করে আমি মালগুলো সাপ্লাই দিয়েছি।

এদিকে ক্যাসিনোতে ব্যবহৃত সরঞ্জাম আমদানি নিষিদ্ধ না হওয়ায় আমদানি নীতি সংশোধনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দার অতিরিক্ত মহাপরিচালক নেয়াজুর রহমান। শিগগিরই এনবিআরে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নেয়াজুর রহমান বলেন, তারা এ পণ্যটি এনে কাকে সরবরাহ করেছেন সেটা আমরা জানার চেষ্টা করছি। এ পণ্য খালাসের দায়িত্বে থাকা সিএন্ডএফ এজেন্ট বা আমদানিকারককে শুনানিতে ডেকেছি।

বিদ্যমান আইনে এসব আমদানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। পণ্যগুলি যদি নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন হয় তাহলে যাতে আমদানি নীতি আদেশে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাতে আনা হয় সেজন্য আমরা একটা সুপারিশ গ্রহণ করবো। গত নয় বছরে গেমিং মেশিনের নামে আনা সন্দেহজনক পণ্যের আরো চালানও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বার্তাবাজার/কেএ

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর