নিষেধাজ্ঞা সত্বেও নোয়াখালীর সেনবাগে এক শিক্ষকের চর-থাপ্পড় ও ব্লাকবোর্ডের ডাস্টার দিয়ে মারার কারণে একজন ছাত্র অসুস্থ হয়ওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জেলার সেনবাগ উপজেলায় বিজবাগ এম কে উচ্চ বিদ্যালয় ৮ম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ ইয়াছিন কে চর-থাপ্পড় ও ব্লাকবোর্ডের ডাস্টার দিয়ে মারার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে ছাত্রটির পরিবার জানিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টার দিকে ইংরেজি ক্লাস চলাকালীন এক পর্যায়ে ক্লাসের শিক্ষক মোরশেদ আলম ছাত্র মোঃ ইয়াছিন কে চর-থাপ্পড় ও ব্লাকবোর্ডের ডাস্টার দিয়ে মারারেন। এর এক পর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ইয়াছিনের মামা নজরুল ইসলাম বার্তা বাজার ডটকম কে জানান, ” ইয়াছিনের শরীরে অন্তত ১৫টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”চর-থাপ্পড়ের কারণে বুকে ব্যাথা করছে। পরে বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে দুপুরে আমরা সেবা মেডিকেল হসপিটালে নিয়ে আসি।
এদিকে সেবা মেডিকেল হসপিটালের ডাঃ মোঃ নুরুজ্জামান বলছেন, দুপুরে ইয়াছিন নামে ঐ ছাত্র শরীরে অসংখ্য ক্ষতের চিহ্ন নিয়ে হাসপাতালে আসে। তাকে আমরা ব্যথা নাশক ওষুধ দিয়েছি।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক মোরশেদ আলমের সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে কল করেও পাওয়া যায়নি ।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ মুঠোফোনে ব্লাকবোর্ডের ডাস্টার দিয়ে মারার বিষয়টি স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, “ঐ শিক্ষক ছাত্রটিকে ব্লাকবোর্ডের ডাস্টার দিয়ে মারেন । তবে আগামী ২৮ তারিখ শনিবার স্কুলের একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে প্রকৃত ঘটনা কী হয়েছিল সেটা তদন্ত করে দেখা হবে,” বলেন মোঃ হানিফ।
বার্তাবাজার/এম.কে