১৮, জানুয়ারী, ২০১৯, শুক্রবার | | ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির টহল জোরদার।

আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০১৯

টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির টহল জোরদার।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত জুড়ে আবারো অস্থিরতার আবাস পাওয়া যাচ্ছে।মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশংকায় সীমান্তের অন্তত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ চেক পয়েন্টে সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক নজদারী বাড়ানো হয়েছে।একই সাথে নাফনদীতে মাছ ধরার নৌকা ও সীমান্ত এলাকায় জণসাধারনের চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রন জারী করেছে বিজিবি।

কক্সবাজার’র টেকনাফ (বিজিবি) ২-ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আসাদুদজ্জামান চৌধুরী আজ (শনিবার) ‘বার্তা বাজার’ কে জানান, নতুন করে মিয়ানমার অভ্যান্তরিন সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার সংবাদে সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটার আশংকা রয়েছে।এমনিতে অতীতে পালিয়ে আসা ৪ লক্ষাদিক এবং ২০১৭ সালে ২৫ আগষ্ট পরবর্তী অন্তত ৭ লাখের অধিক রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এদেশে পালিয়ে এসে মানবতার খাতিরে উখিয়া টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থান নিয়েছে।তাই সীমান্ত জুড়ে নতুন করে যে কোন অপ্রিতীকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, নাজির পাড়া, টেকনাফ সদর, দমদমিয়া, হ্লেদা, নয়াপাড়া, ণীলা, মৌলভী বাজার, খারাংখালী, ঝিমংখালী, উনচিপ্রাং, হোয়াইক্যং তৎসংলগ্ন নাফনদীর কিনারায় বিভিন্ন সীমান্ত চৌকিতে বিজিবি জওয়ানদের টহল জোরদার করা হয়েছে।সীমান্তে যে কোন অনাকাংখিত ঘটনা মোকাবিলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে স্থানী ভাবে বিভিন্ন পুরাতন রোহিঙ্গা লোকজন ও দায়িত্বশীল বেশকিছু সূত্রের সাথে আলাপ কালে জানা গেছে,দেশটিতে ২০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে আসার জন্য অপেক্ষামান রয়েছে।তবে এসব রোহিঙ্গাদের উপর নতুন করে কোন ধরনের দমন পীড়ন চলছে তা স্পষ্ট করে জানাতে পারেনি উক্ত সূত্রগুলো।