তিতাসে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত-১৬

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৯টায় উপজেলার দড়িগাঁও গ্রামে।

তিতাস থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে । আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস হাসপাতালে নিয়ে গেলে এদের মধ্যে আশংঙ্কা জনক অবস্থায় উভয় পক্ষের তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে করেছে কর্তব্যরত চিকিৎসক।

অন্যান্য আহতরা হলো স্বাধীন(৩৮),অলিমন বেগম(৭৫),ইদ্রিস আলী(৯০),আবু কালাম(৩৮),ফরহাদ(১১), মতিন(৩৯),ছাদেক(৪২),জামান(৩০),মোঃ ইব্রাহীম(৫০),শেখ ফরিদ(৩২), হযরত আলী(৪০),ফয়সাল(১৮) ও রেজাউল(৩০)।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায় ওই গ্রামের রুহুল আমিন গ্রুপ ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল তারই জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘের্ষে জরিয়ে পরে।

এসময় ৯০ বছরের বৃদ্ধ,৭৫ বছরের বৃদ্ধা ও ১১ বছরের শিশুও হামলা থেকে রেহাই পায়নি। রুহুল আমিন গ্রুপের প্রধান ও মজিদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন জানান,গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কর্মী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করছিল এসময় আমরা থানা পুলিশকে খবর দেই তখন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে পায়নি।

তারই জের ধরে আজকে আমাদের লোকজনের উপর হামলা চালায়, আমি এ হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। প্রতিপক্ষ আলাউদ্দিন গ্রুপের প্রধান আলাউদ্দিন বলেন আমাদের পক্ষের ফয়সাল ও তাদের পক্ষের শামীমের সাথে দুই দিন পূর্বে হাতাহতির ঘটনা ঘটে তারই জের ধরে আজকের এই ঘটনা।

এবিষয়ে জসিম চেয়ারম্যানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি কোন পক্ষের সাথে জরিত না,আমি আমার ব্যাবসা নিয়ে ব্যাস্ত। এবিষয়ে তিতাস থানার ওসি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম জানান, মারামারির ঘটনা ঘটেছে শুনেছি তবে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি যদি পাই তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বার্তাবাজার/এম.কে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর