বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প অনুযায়ী একাডেমিক ভবন নির্মানের জন্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুদ্বীপ সংলগ্ন শতবর্ষী বটগাছ কেটে ও পুকুর ভরাট করে এর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজ শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ক্রিয়াশীল সংগঠন গুলোর দাবীর প্রেক্ষিতে বট গাছ কর্তন না করার সিদ্ধান্ত নিলেও ভরাট করা হবে পুকুরটি। যা মানছে না বিক্ষুব্ধ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। গাছ ও পুকুর রেখে পরিকল্পনা পরিবর্তন করে ভবন নির্মানের দাবি তাদের ।
ইতিমধ্যে তারা গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে গণ স্বাক্ষর দেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্যোগে পুকুরটি পরিষ্কার করতেও দেখা গেছে।
সোমবার (২৩সেপ্টেম্বর) পরিকল্পনা দপ্তর থেকে ভবন নির্মান এর জায়গা পরিদর্শনে গেলে শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে ফিরে যায় তারা।গাছ কাটা ও পুকুর ভরাট নিয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “উন্নয়নের স্বার্থে ডোবা ভরাট করতে হবে। তবে শতবর্ষী গাছটি থাকবে।
আমাদের পরবর্তী পরিকল্পনায় ৪-৫ টি পুকুর রয়েছে। তাই উন্নয়নের স্বার্থে আমদের কাজ করতে হবে।”
গ্রীন ক্যাম্পাস এর সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমেদ বলেন – “ক্যাম্পাসের উন্নয়ন আমরাও চাই তবে প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করে নয়। পুকুর ও গাছ রেখে পুরো প্ল্যান সাজাক প্রশাসন এটাই আমাদের দাবি। ”
বার্তাবাজার/এম.কে