অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বার্তা বাজার ডটকম’-এ গতকাল রোববার প্রকাশিত ‘ইউজিসির কাঠগড়ায় ঢাবি ভিসিসহ ১৪ ভিসি’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ফারুক হোসেন চৌধুরী প্রেরিত প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ‘প্রকাশিত সংবাদে বিন্দুমাত্র সতত্যা নেই। গত বছরের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক দিনে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এম রোস্তম আলী যোগদান করার পর এ পর্যন্ত নতুন করে একটি লোককেও নিয়োগ দেননি। পূর্বের নিয়োগের ধারাবাহিকতায় কয়েকটি বিভাগের কিছুসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের কাজ সম্পন্ন করেছেন মাত্র। অথচ সংবাদে ২২ জন নিকটাত্মীয়কে নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, মনগড়া ও বিশেষভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ২০১০ সালে প্রশাসন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০১২ সালে সম্পন্ন হয়। ২০১২ সালের ০২ ফেব্রুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসন ভবনের উদ্বোধন করেন। তারপর থেকে সেখানে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাহলে মাননীয় উপাচার্য মহোদয় কীভাবে প্রশাসনিক ভবনের অবকাঠামো নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্ট? এ তথ্যও কী বিশেষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়?’
‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাহানি ও মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের সুনামহানির উদ্দেশ্যে এ তথ্য সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে। মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের যোগদানের পাঁচ বছর আগে প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হলেও অধিক হারে অর্থ আদায়ের কথা উল্লেখ করা অসৎ ও হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। বর্তমান উপাচার্য মহোদয়ের সময়ে কোনো নির্মাণ কাজ শুরুই হয়নি যেখানে, সেখানে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি উল্লেখ করা সাংবাদিকতা পেশার চরম দায়িত্বহীনতা বলেই আমরা মনে করি।’
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে- উল্লেখ করে প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, ‘একটি কুচক্রী মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য পাঁয়তারা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এ ধরনের বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।’
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস