ব্রীজ নয় যেন মরণ ফাঁদ (ভিডিওসহ)

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্ধ ইউনিয়নের চাপুলিয়া-শিকিপাড়া সড়কের পুরাতন ব্রিজটি যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।প্রয়োজনের তাগিদে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেলিংবিহীন এবং পাটাতন ধ্বসে যাওয়া সরু ব্রিজটি দিয়ে কয়েক গ্রামের হাজারো মানুষ পারাপার হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে উপজেলা সদরে যোগাযোগের জন্য চাপুলিয়া,চরডাঙ্গা,রায়ের পানাইল,পানাইল, সিঁকিপাড়া চরআজপুর, বাজড়াসহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় দশ হাজারের বেশি জনগণের যাতায়াতের অন্যতম এই রাস্তাটিতে নির্মিত ব্রীজটি ২/৩ বছর ধরে জরাজীর্ণ থাকায় প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দূর্ঘটনা।এই ব্রীজটির প্রবেশ পথে দুইপাশে রেলিং ভেঙে যাওয়ায় অটোভ্যান,নছিমন,মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায়ই নিচে পড়ে ভয়াবহ দূর্ঘটনার শিকার হতে হয় যাত্রীদের।ব্রীজের মাঝ বরাবর ফাটলের প্রকট চিহ্ন।ব্রিজের কয়েকটি স্থানে কংক্রিটের স্লিপার খুলে পড়ে যাচ্ছে।লোহার পাতগুলো ঝুকে বাঁকা হয়ে ভেঙে যাচ্ছে।সকল এ্যাঙ্গেল জীর্ণদশায় রয়েছে।আর এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে রাতের আঁধারে কে বা কারা লোহার রডগুলি কেটে নিয়ে যাচ্ছে।এছাড়াও ব্রিজটি খুব সরু হওয়ায় এক পাশে ছোট যানবাহন ঢুকলে অপর পাশে অন্য যানবাহন দাঁড় করিয়ে সাইট দিতে হয়।

টগরবন্ধ ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলাম বার্তা বাজারকে বলেন, ব্রিজটির দু’পাশের অধিকাংশ রেলিং ভেঙে যাওয়ার কারনে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা।বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে পথচারী ব্রিজের ওপর দিয়ে পারাপারের সময় ব্রিজ থেকে নিচে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

এবিষয়ে টগরবন্ধ ইউপি চেয়ারম্যান বার্তা বাজারকে জানান, “এখানে পুরাতন এ ব্রিজটি ভেঙে নতুন ব্রীজ নির্মাণ করা হবে।এ জন্য প্রায় ৩মাস আগে ব্রীজের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে তালিকা জমা দিয়েছি।”

ওই এলাকায় নিয়েজিত সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম বার্তা বাজারকে জানান, “নতুন ব্রীজের জন্য পত্রালাপ করা হয়েছে।তবে একটু সময় লাগবে।তাহলে আশা করি নতুন ব্রীজটি পেয়ে যাবো।

১০ হাজার মানুষের চলাচলের রাস্তা মরণ ফাঁদ,ঘটছে নানা দুর্ঘটনাসংস্কারে উদ্যোগ নেই এলজিইডি’র

Gepostet von Barta Bazar am Donnerstag, 12. September 2019

বার্তাবাজার/ডব্লিওএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর