ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেনকে নিয়ে ‘ডিউ ক্রাশ এন্ড কনফেশন’ পেইজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রী রোমান্টিক কনফেশন লিখেছেন।যা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে।
বার্তাবাজার পাঠকদের জন্য মনি মুক্তা নামের সেই ছাত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘আমি জানি আমি সাহসী তাই নিজের নাম লিখতে ভয় পাইনি! আপনাকে প্রথম দেখেছিলাম বাইক চালাতে। আমি নীলক্ষেত যাচ্ছিলাম আপনি পিছনে একটা ছেলেকে নিয়ে বাইক চালিয়ে আসছিলেন। তখন তো জানতাম না আপনি একদিন ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হবেন। তবে এটা বুঝেছিলাম আপনি পলিটিক্স করেন কারণ পিছনে আরো কয়েকটা বাইক ছিল।
পরে আপনাকে নিয়ে বিস্তারিত জানা হয় যখন আপনি সাধারণ সম্পাদক হন। পরে জানলাম আপনি এফ.আর হলে থাকেন। আমার এক ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই আপনার পলিটিক্স করে।ভাইকে অনেক বার বলেছি আপনার সাথে একদিন দেখা করিয়ে দিতে কিন্তু সে শুধু ব্যস্ত আর ব্যস্ত।
রোকেয়া হলের প্রায় অর্ধেক মেয়েই জানে আপনি আমার ক্রাশ! এমনকি আমার বয়ফ্রেন্ড ও জানে। শুধু আপনিই জানলেন না। যখন সবাই আপনাকে নিয়ে পঁচা কথা বলে। আপনার বদনাম করে তখন আমার খুব গা জ্বলে। এমনকি আপনার পড়াশুনা নিয়েও মানুষ কথা বলে। এতেও মেজাজ টা গরম হয়।
আমার খুব ইচ্ছা আপনার সাথে দেখা করবো আর আপনি আমার ফোন দিয়ে আমার সাথে একটা সেলফি তুলবেন। কিন্তু তা তো আর হচ্ছে না। আপনাকে আর পাই কই। আপনি তো পলিটিক্স নিয়ে ব্যস্ত! আর হ্যাঁ মানুষের কথা কানে নিতে হবে না। নেতা সবাই হতে পারেনা। নেতা হতে গেলে অনেক কিছু বিসর্জন দিতে হয়।
আপনার জন্য মন থেকে দোয়া করি। আমি কিন্তু পলিটিক্স করি না যে আপনাকে হাওয়া দিবো বা তেল দিবো পদ পাওয়ার লোভে। কিন্তু আপনি যদি কোনোদিন আমাকে বলেন যে ‘‘তুমি রাজনীতি করো, তোমার মেধাকে রাজনৈতিক কাজে লাগিয়ে মানুষের সেবা করো তবে আমি ঠিক রাজনীতি করবো।’’ চিন্তা করবেন না আমি কিন্তু রাজনীতি বিজ্ঞানেরই ছাত্রী, রাজনীতি নিয়ে পড়াশুনা করা মেয়ে। আমার পদের লোভ নেই। তবে পরিবর্তন আর ভালো কিছু করার ইচ্ছা তো অবশ্যই আছে। তবে এসব রাজনীতি পরের কথা। আগে তো বলবো খুব সাধারণ করে যে – আপনাকে আমার ভালো লাগে। আমি কিন্তু লুইচ্চা না। আপনাকে ভালো লাগে শুধু। এই ভালো লাগাটা সুন্দর, স্বাভাবিক এবং শৈল্পিক! আপনি না হয় ক্যাম্পাসে জারুল হবেন, আর আমি হবো জারুলের বেগুনি রং!’

বার্তাবাজার/এএস