যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে একা অনশন করছেন ছাত্রলীগ নেতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রশাসনিক পদে সাম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক ড. রহমান নাসির উদ্দিন ও সহকারী প্রক্টর ড. হানিফ মিয়াকে অপসারণের দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করেছে চবি ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য মো. ইফতেখার উদ্দিন আয়াজ।অনশনে আয়াজকে ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায় নি।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে এই কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রলীগের ওই নেতা।

অনশন কর্মসূচীতে নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রহমান নাসির উদ্দিন ও সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর হানিফ মিয়াকে আওয়ামী-বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পদ থেকে অপসারণের দাবি জানানো হয়।

আয়াজ বলেন, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কারের নামে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে জামায়াত নীলনকশার আন্দোলন করেছিলেন। এসময় ফেসবুকে হত্যা, ধর্ষণসহ নানা বিষয়ে গুজব রটানো হয়। সেসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির এই নীলনকশার আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন, ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট ও মিথ্যা বক্তব্য উপস্থাপনসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে গত বছর চবি সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলামের নামে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে মামলা করেন ইফতেখার উদ্দিন আয়াজ। সেই সময় শিক্ষক মাইদুল ইসলামের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই দুই শিক্ষক মানববন্ধন করেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

এই ছাত্রলীগ নেতা আরও বলেন, গবেষণা পরিচালনা ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক এবং ড. হানিফ মিয়াকে সহকারী প্রক্টর পদে নিয়োগ দেওয়া শেখ হাসিনার সাথে প্রতারণার শামিল। তাই ওই দুই শিক্ষককে অপসারণের জোর দাবি জানান এই শিক্ষার্থী। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

এ বিষয়ে চবি প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) প্রণবমিত্র বলেন,আমরা অনশণকারীর সাথে কথা বলেছি। তার সমস্যা জেনে সেই আলোকে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

বার্তাবাজার/এএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর