ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যার ফলে তিনি এককভাবে জিততে পারেন নি। সাবেক সেনাপ্রধান বেনি গান্তজের সঙ্গে সমান অবস্থানে আছেন নেতানিয়াহু।
১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনকে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহুর জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। এবারের নির্বাচনের জয়লাভের মাধ্যমে টানা পঞ্চমবারের মতো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নেতানিয়াহু। তবে ভোটের মাঠে তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বেনি গান্টজের শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।
বুধবার পাওয়া সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী এখনও বোঝা যাচ্ছে না কে সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন ইসরাইলে। দুই নেতাকেই এখন জোট সরকারের আশ্রয় নিতে হবে। ইতোমধ্যে কয়েকটি দল নেতানিয়াহুর প্রতি তাদের সমর্থন দিয়েছেন।
চূড়ান্ত ফলাফলের পর ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রুভেন রিভলিন জয়ী দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং ৪২ দিনের মধ্যে সরকার গঠনের সময়সীমা বেঁধে দেবেন।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তিনটি দুর্নীতির মামলা রয়েছে। তবে নির্বাচনের মাঠে দুর্নীতির অভিযোগ আড়াল করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে সরব থেকেছেন নেতানিয়াহু। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমতায় ফিরলে ফিলিস্তিনের কাছ থেকে জর্ডান উপত্যকা ও ডেড সি দখল করে নেওয়া হবে। ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দনের ছবি দিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন বানিয়ে ভোটারদের বার্তা দিতে চাইছেন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর দেশের সমর্থন নিয়ে আগামী দিনে ফিলিস্তিনকে আরও কোণঠাসা করে তুলবেন তিনি। নতুন ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের মাধ্যমে আরও বাড়ানো হবে ইসরায়েলের মানচিত্র।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস