সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ৩৬ বছরের বিধবা ভাবীর সাথে ২২ বছরের দেবরের বিয়ের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের নওদাশালুয়া গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি শালিশ বৈঠকে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
শালিশ বৈঠক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় একই গ্রামের মৃত রেজাউল করিমের বিধবা স্ত্রী শেফালী খাতুনের (৩৬) সাথে স্বামীর ফুপাতো ভাই পার্শ্ববর্তি ব্রাহ্মনবাড়িয়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে হুমায়ুনের (২২) মধ্যে ৩ বছর যাবত অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক চলে আসছিল।
এক পর্যায়ে গত রোববার রাত ১টার দিকে শেফালী খাতুন কন্যা সন্তানের জন্ম দিলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভুমিষ্ঠ সন্তানের নাম রাখা হয় হুমায়রা খাতুন। হুমায়ুনকে সন্তােেনর পিতা দাবি করে শেফালী ও তার শ্বশরবাড়ির পক্ষ থেকে ইউনিয়ন পরিষদে বিচার প্রার্থী হন।
পাঙ্গাসী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন উভয় পক্ষের স্বাক্ষ্য ও প্রমান উপস্থাপনের পর উপস্থিত সকলের কাছে প্রমানিত হয় দেবর হুমায়ুনই ভুমিষ্ঠ সন্তানের বাবা। বৈঠকেই বিয়ের আয়োজন করেন উভয়পক্ষ। কাবিন নামায় ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারন করা হয়।
এ ছাড়া হুমায়ুনের পরিবারের পক্ষ থেকে শেফালীকে ১০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়ারও অঙ্গিকার করা হয়। শালিশ বৈঠকের আহ্বায়ক সংশ্লিষ্ট ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল করিম মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পাঙ্গাসী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, নলকা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক, ভদ্রঘাট ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, পাঙ্গাসী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান মল্লিক, আ’লীগ নেতা আব্দুস সালাম প্রমুখ।
বার্তাবাজার/এম.কে