বয়স্ক ভাতার কার্ড পেয়েছেন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শতবর্ষী বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন। আজ (সোমবার) দুপুরে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থায় তাঁর হাতে বয়স্ক ভাতার এ কার্ড তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুহুল আমিন, সহকারী অফিসার মীর কাসেম, সুখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল হামিদ টিটুসহ এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
আয়েশা খাতুনের বাড়ি পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের বানিপার্টা গ্রামে। তিনি মৃত খুর্শিদ উদ্দিনের স্ত্রী। তাঁর বয়স এক শ পেরিয়েছে দুই দশক আগেই। বর্তমানে তিনি ১২০ বছর পার করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি। কিন্তু আজকের আগেও তাঁর নাম বয়স্ক ভাতার তালিকায় ওঠেনি।
বাংলাদেশ সমাজসেবা কাযালয়ের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে প্রথম ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি চালু হয়। বয়স্ক ভাতা পেতে নারীর জন্য বয়স ৬২ ও পুরুষের জন্য ৬৫ বছর হওয়া প্রয়োজন। সে হিসেবে আমেনা খাতুনের প্রায় ৫৫ বছর আগে বয়স্ক ভাতা পাওয়ার কথা ছিল।
এ নিয়ে গতকাল (রোববার) “মানবেতর জীবনযাপন করছেন শতবর্ষী আয়েশা খাতুন” শিরোনামে সংবাদ ও “শতবর্ষী আয়েশা খাতুনের খবর রাখেনা কেউ” শিরোনামে ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার পরপরই এ উদ্বোগ গ্রহন করে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর।