১৯, অক্টোবর, ২০১৮, শুক্রবার | | ৮ সফর ১৪৪০

নড়াইলের শেখ রাসেল সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৮

নড়াইলের শেখ রাসেল সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল প্রতিনিধি: নির্মাণের এক বছর পর নড়াইলের সাবেক ফেরিঘাটের চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত শেখ রাসেল সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটি উদ্বোধন করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. হাফিজুর রহমান, নড়াইলের জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, নড়াইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. মোঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম, নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. সুবাস চন্দ্র বোস প্রমুখ। উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারের সময়কালে দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) নড়াইল অফিস সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে চিত্রা নদীর সাবেক ফেরিঘাটের ওপর একটি সেতু নির্মাণে দাবি করে আসছিল নড়াইলের আট লাখ মানুষ। নড়াইলবাসির দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। যার প্রাক্কলিত মূল্য ধরা হয় ২৯ কোটি টাকা। ১৪১ মিটার লম্বা মূল সেতুর বাইরে দুই পাশে ফ্লাই্ওভারের মতো দেখতে ভায়াডাক্টের দৈর্ঘ্য ২৩৮ মিটার।

সেতুর প্রস্থ ১৮ ফুট। দুই পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক আছে ৪৩১ মিটার। ঢাকার মেসার্স এমবিইএল-ইউডিসি (জেভি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ করে। ২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত নির্মাণ কাজের সময়সীমা নির্ধারণ থাকলেও তিন মাস আগেই কাজ সম্পন্ন হয়। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে উদ্বোধনের আগেই ২০১৭ সালের ১৬ মার্চ সেতু খুলে দেওয়া হয়। এতে লোহাগড়া এবং কালিয়া উপজেলার সঙ্গে জেলা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ নড়াইল অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র সোমদ্দার এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চিত্রা নদীর ্ওপর সেতুটি নির্মিত হওয়ায় লোহাগড়া এবং কালিয়া উপজেলাসহ পাশের জেলাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হলো।