যশোরের শার্শায় গণধর্ষণের মামলা থেকে পুলিশের ভয়ে এস আই খায়রুলের নাম প্রত্যাহার করেছেন বলে দাবি নির্যাতিতা গৃহবধূর। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। এদিকে, মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এবারে নতুন মোড় নিলো যশোরে গণধর্ষণে ঘটনার। নির্যাতিতা নারী এবার অভিযোগের আঙুল তুললেন খোদ গোরপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ভয় আর শঙ্কা থেকেই বারবার খায়রুলের নাম এড়িয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করলেন তিনি। অভিযোগ করেন, খায়রুল ইসলাম প্রায়ই নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে তার স্বামীকে মুক্ত করার আশ্বাস দিয়ে ঘুষের টাকা আদায় করতেন।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করে যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ সালাউদ্দিন শিকদার জানায়, কয়েক দফা খায়রুলকে উপস্থিত করা হলেও নির্যাতিতা নিজেই নাম বাতিল করে দেয়। এদিকে, বিএনপির নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতারা ওই নারীর বাড়ি গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। ধর্ষণের ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন তারা।
গত ২৫ আগস্ট শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর এলাকায় মাদক মামলায় স্বামীকে জেলে পাঠানোর ৯ দিন পর স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পরদিন মঙ্গলবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত এস আই খাইরুলকে বাদ দিয়েই শার্শা থানায় মামলা করেন নির্যাতিতা ওই নারী। এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
বার্তাবাজার/কেএ