যশোর শার্শার গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খায়রুলসহ সোর্সের বিরুদ্ধে এক আসামির স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।পুলিশ সুপার ভুক্তভোগী মহিলার অভিযোগ আমলে নিয়ে ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য পুলিশ পাঠিয়েছেন। ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ওই মহিলাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
(মঙ্গলবার ০৩ই সেপ্টেম্বর ২০১৯)দুপুরে ক্ষতিগ্রস্থ ওই গৃহবধূ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন,(গত ২৫শে আগস্ট ২০১৯)রাতে শার্শার লক্ষণপুর গ্রামে তার স্মামী আসাদুজ্জামান আশাকে গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খায়রুল তুলে নিয়ে যায়। পরদিন ২৬ আগস্ট ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখিয়ে আসাদুজ্জামানকে আদালতে চালান দেয়।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাত ২টার দিকে চটকাপোতা গ্রামের কামরুল, লক্ষণপুর গ্রামের লতিফ ও কাদেরকে নিয়ে এসআই খাইরুল আসামি আসাদুজ্জামানের বাড়িতে যায়। তার স্ত্রীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে তার স্বামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন।
টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে খায়রুল ও কামারুল ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরের ভেতরে গিয়ে আসাদুজ্জামনের স্ত্রীকে প্রথমে এসআই খায়রুল ও পরে পুলিশের সোর্স কামারুল ধর্ষণ করে। এসময় লতিফ ও কাদের ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল।বিষয়টি কাউকে জানালে তাকেও মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে যান। তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আবুল কালাম আজাদের অনুমতি নিয়ে মহিলাকে পুলিশ সুপার মঈনুল হকের অফিসে নিয়ে যান।
ওসি মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান,বিষয়টি তিনি শুনেছেন।ভেুক্তভোগীকে নিয়ে এসপি অফিসে যাওয়া হয়েছে।এর বাইরে এখন আর কিছু বলা সম্ভব না।হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরিফ আহম্মেদ জানান,ভুক্তভোগী মহিলা যদি হাসপাতালে আসেন তাহলে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।যশোর পুলিশ সুপার মঈনুল হক সাংবাদিকদের জানান,অভিযোগ সঠিক হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বার্তাবাজার/ডব্লিওএস