১৫, অক্টোবর, ২০১৮, সোমবার | | ৪ সফর ১৪৪০

ফুচকা উৎসব: উপচেপড়া ভিড় ভোজন রসিকদের

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০১৮

ফুচকা উৎসব: উপচেপড়া ভিড় ভোজন রসিকদের

বাংলাদেশে ফুচকা পছন্দ করেন না এমন লোকের দেখা পাওয়া ভার। আর সবার পছন্দের এই খাবারটি নিয়ে ঢাকায় আয়োজন করা হয়েছে ফুচকা মেলার।

সেখানে রয়েছে নানা নামের ২০ রকমের ফুচকা। এসব ফুচকায় আনা হয়েছে ফিউশন।
গোলাকার মচমচে ফুচকার ভেতরে মসলাদার বুট, আলু, পেয়াজ কুচি, ধনে পাতা আর তার ভেতর তেঁতুলের রস। মুখে দিতেই ফুচকা ভেঙ্গে যেন জিহ্বায় স্বাদের ঝড় তোলে।

এই স্বাদের বৈচিত্র্যের কারণে বাংলাদেশের স্ট্রিট ফুডের মধ্যে ফুচকার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। আর এই ফুচকা নিয়ে যদি উৎসবের আয়োজন হয় তাহলে তো কথাই নেই।

ফেসবুকে এমনই এক উৎসবের ইভেন্ট দেখে ছুটির দিনে সদলবলে হাজির হয়েছেন আইটি ব্যবসায়ী নুসরাত আক্তার টুম্পা। তিনি বলেন, ‘আমি এরকম ফেস্টের কথা এই প্রথম শুনেছি। এজন্য ফ্রেন্ডদের নিয়ে আসলাম। আসলে ফুচকা তো সবার পছন্দের খাবার। এর যে টক ঝাল মিষ্টি, এটা সবার পছন্দ। ফুচকার ভ্যারাইটি আছে অনেক এখানে। এসির মধ্যে খাচ্ছি, গরম লাগছে না।’

বারিধারা ডিওএইচএস কনভেনশন সেন্টারে আয়োজন করা হয়েছে এই ফুচকা উৎসবের। মেলাটি মূলত নারী উদ্যোক্তাদের কেন্দ্র করে আয়োজিত হলেও, এখানে ভিড় করা বেশিরভাগ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মেলার মাঝখানের বড় ফুচকা স্টলটিকে ঘিরে।

ফুচকা কেন পছন্দ? এমন প্রশ্নের জবাবে আরিব শারাফ নামের এক কিশোর জানান, ‘আমার ফুচকা অনেক ভাল লাগে। অনেক মজার। এজন্য আমি এখানে খেতে এসেছি। আমার সবচেয়ে প্রিয় দই ফুচকা। এটা একটু মিষ্টি, আবার ক্রাঞ্চি, ওটা আমার সস দিয়ে খেতে খুব ভাল লাগে।’

মেলায় আয়োজন করা হয়েছে প্রায় ২০ ধরণের ফুচকার। দাম ধরা হয়েছে ৫০টাকা থেকে ২০০ টাকা। বেশ কয়েকটি ফুচকায় ফিউশন এনে নানা রকম নাম দিয়েছেন তারা। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করাই যার মূল উদ্দেশ্য। বলছিলেন আয়োজক নূর ই আজমা।

‘আমরা সব বয়সীদের কথা ভেবে অনেক ধরণের আইটেম তৈরি করেছি। যেটার একেকটার স্বাদ একেক রকম। যেমন বেবি ফুচকা, এইটিন প্লাস ফুচকা, ইলিশ ফুচকা, বিফ ফুচকা, হট এন্ড স্পাইসি ফুচকা। বেবি ফুচকায় আমরা রাখি বাদাম, দুধ, কিসমিস, সেমাই। এক কথায় বাচ্চাদের টেস্ট আর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে।’

জিভে পানি আসা সুস্বাদু ফুচকার তুলনা আর অন্য খাবারে নেই। তাই বিপুল জনপ্রিয়তায় এখন ফুচকা হয়ে পড়েছে বাঙালি সংস্কৃতির অংশ।

সূত্র: বিবিসি বাংলা