২০, অক্টোবর, ২০১৮, শনিবার | | ৯ সফর ১৪৪০

শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে ভরতি ‘ছকবাজি’

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০১৮

শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে ভরতি ‘ছকবাজি’

‘ছকবাজি’ই তাঁর নেশা। ছক ভাঙার খেলা তাঁর পেশা। শুভজ্যোতির সেই ছক ভাঙার ‘গপ্পো’ এবার পুজোর নতুন ফ্যাশন। সৌজন্যে দশভুজা বুটিক। শাড়ির উপর শুভজ্যোতির শব্দছক এঁকে এই প্রতিষ্ঠান ‘ছকবাজি’কে আনতে চাইছেন হল ফ্যাশনের হাওয়ায়।

বালুচরি, ঢাকাই, তাঁত এগুলিই ছিল বাংলি মেয়েদের ফ্যাশন। এই সব শাড়ির উপর সুতোর কাজ করা হতো। সময়ের সঙ্গে ট্রেন্ড বদল হয়েছে। সুতোর কাজের বদলে জায়গা করে নিয়েছে রং তুলি দিয়ে ফেবরিক রঙের ব্যবহার। অঙ্কন শিল্প হয়ে উঠেছে স্টাইলের অঙ্গ। বেড়েছে বুটিকের সংখ্যা।

ডিজাইনার শাড়ি এখন মেলে বুটিক থেকেও। বুটিক ডিজাইনেরই সৃষ্ট বাজার চলতি ‘বাহা শাড়ি’ , ‘শান্তিনিকেতনী শাড়ি’। সেই তালিকাতেই নয়া সংযোজন শব্দছকের শাড়ি। ভাবনায় দশভুজা বুটিকের কর্নধার ডালিয়া মিত্র। তাঁর এমন ভাবনার ‘সূত্রধর’ শুভজ্যোতি ও তাঁর করা শব্দছক।

যে শব্দছকের প্যাঁচ কষে শুভজ্যোতি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডে নাম তুলেছেন সেই শব্দছকই এখন ফ্যাশনের অঙ্গ। শুভজ্যোতি এই বিষয়টা নিয়ে দারুণ এক্সাইটেড। বললেন, “খবরের কাগজের পাতার অঙ্গ ছিলাম। এবার ফ্যাশনের অঙ্গ। দারুন লাগছে।” কিন্তু এই শব্দছককে কেন ফ্যাশন ট্রেন্ড হিসাবে ভাবলেন বুটিক ডিজাইনার ডালিয়া মিত্র? তিনি বলেন, “আমি ছক ভাঙতে ভালোবাসি।

মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করেছি বহু বছর। মাঝে করেছিলাম ফাইন আর্ট ডিজাইনের ক্র্যাশ কোর্স। মনে হয়েছিল ছক ভেঙে নিজে কিছু করি। তাই বছর চারেক আগে ডিজাইনার হিসাবে কাজ শুরু করি।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আর কিছুদিন আগে শুভজ্যোতির প্রতিভার খবর সংবাদ মাধ্যমে দেখি। তখনই শাড়ির ডিজাইনে ছক ভাঙার গল্প বলার ভাবনা মাথায় আসে। এটা আগে কেউ কোনওদিন ভাবেনি। তাই এটাও একদিক দিয়ে ছক ভাঙাই হল।”

পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ‘তাসের দেশ’ নৃত্য নাট্যের অবলম্বনে শাড়িতে ছক ভাঙার গল্প বলেছেন বুটিক শিল্পী।