১৮, অক্টোবর, ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৭ সফর ১৪৪০

এবার প্রতিবন্ধীদের শাহবাগে অবস্থান

আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৮

এবার প্রতিবন্ধীদের শাহবাগে অবস্থান

এক শতাংশ কোটা বহাল রাখার দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন ঢাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (৫ অক্টোবর) দুপুর থেকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে তারা এ কর্মসূচি পালন করছে।

সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেওয়ায় শাহবাগ থেকে কাঁটাবন অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিকাল ৫টায় শাহবাগ মোড়ে সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে হবে বলেও ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ-এর আহ্বায়ক আলী হোসেন বলেন, আমাদের জন্য এক শতাংশ কোটা রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আমাদের কোটা রাখার কথা বলেছিলেন।

এক শতাংশ কোটা রেখে বাকি সব কোটা বাদ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল যে প্রজ্ঞাপন এসেছে, সেখানে আমাদের কোটার ব্যাপারে কোনও সুস্পষ্ট বক্তব্য আসেনি। এই প্রজ্ঞাপন আমরা মানি না। আমাদের কোটা বহাল রাখতে হবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকবো।

এর আগে, সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।

মন্ত্রিপরিষদের কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।

বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাস্তার চারদিকে ব্যারিকেড দিয়ে বুধবার রাত থেকে অবরোধ শুরু করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড।

উল্লেখ্য, এর আগে সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বুধবার (৩ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে কোটা পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ শফিউল আলম বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরির ক্ষেত্রে সরাসরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকছে না। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে কোটা থাকবে কিনা সময়ের প্রয়োজনে বিবেচনা করবেন সংশ্লিষ্টরা।