নরসিংদী জেলার সদর উপজেলায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর পালিয়ে গছেন চিকিৎসক।অন্যদিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক পরিচালকসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ইফা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। মৃত নবজাতক শহরের ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার রিপন মিয়ার ছেলে। আটককৃতরা হলেন- ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক দিদারুল কবির পাঠান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্মচারী লিটন মিয়া।
মৃত নবজাতকের স্বজনরা জানায়, সোমবার বিকেলে প্রসব ব্যথা উঠলে গৃহবধূ রুপালীকে ইফা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসক অসীম কুমার ভৌমিক সিজারিয়ানের মাধ্যমে শিশুর প্রসব করান। কিন্তু অপারেশন থিয়েটার থেকে নবজাতকের নাভিতে কর্ড না লাগিয়ে বের করে ফেলা হয়। একই সঙ্গে প্রসবের পর নবজাতককে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়নি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে তারা কর্ড লাগানোর জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান। এরপর থেকে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
স্বজনরা আরো জানায়, এ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে দেখা যায় নবজাতক আর তার মা টেবিলে পড়ে আছে। চিকিৎসক পালিয়ে গেছেন। পরে নবজাতককে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ প্রসঙ্গে নরসিংদী সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এএস