কাশ্মীরের বিশেষ মর্যদা সংবিধান থেকে বাতিল করেই থেমে থাকেনি মোদি সরকার।ওই অঞ্চলের মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বঞ্চিতকরণসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার।এখানেই শেষ নয়, রাজ্যটির বড় বড় সব রাজনৈতিকদের বন্ধী করে রেখেছে, কাশ্মীরের জনগণকে রাস্তায় বের হতে দেয় না ভারতীয় সেনারা। আর এই বিষয়টিকে বর্বরোচিত বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ খান আফ্রিদি।
কাশ্মীরের সংকট নিরসনে সোচ্চার থাকা আফ্রিদি বরাবরের মতো একটি টুইট করেছেন। যাতে কাশ্মীরে সংকট নিরসনে জাতিসংঘের জোরালো ভূমিকা রাখার দাবি তোলেন। সেখানে নরেন্দ্র মোদীর ‘বর্বরোচিত’ আচরণকে বেশির ভাগ ভারতীয় সমর্থন করে না বলেও মন্তব্য তার।
আফ্রিদির টুইট, ‘কাশ্মীরে সংঘর্ষপূর্ণ অঞ্চলে সহিংসতা ও নির্মমতা থামাতে জাতিসংঘের কাছে আমরা আরও বেশি প্রত্যাশা করি। বেশির ভাগ ভারতীয় নরেন্দ্র মোদীর বর্বরোচিত আচরণ সমর্থন করে না। তার দীর্ঘস্থায়ী শান্তির সেতুবন্ধন গড়ার সময় এখনই। এই অমানবিকতা চিরতরে বন্ধ করা উচিত।কাশ্মীরের মানুষের সংঘে এমন আচরণে আমার হৃদয় পুড়ে ছাই হয়েছে।’
পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ এর আগে কাশ্মীরের জনসাধারণের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। করাচিতে ঈদের নামাজ পড়ার পর সংবাদমাধ্যমকে সরফরাজ বলেছিলেন, ‘আমাদের কাশ্মীরি ভাইদের সাহায্য এবং বিপদ থেকে রক্ষার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি। আমরা সবাই তাদের কষ্ট ও দুর্ভোগের ভাগীদার।’
শুধু সরফরাজ নন পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতারও সবশেষ ঈদ- উল-আজহায় কাশ্মীরের জনসাধারণের উদ্দেশে টুইট করেছিলেন, ‘আমরা তোমাদের পাশে আছি…ঈদ মোবারক। আমরা তোমাদের স্বাধীনতার প্রার্থনা করি।’
বার্তাবাজার/এএস