লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার রাখালিয়া এলাকায় খায়রুন্নেসা মুন্নির পৈত্তিক ওয়ারিশি সম্পত্তি ও বোনদের নিকট থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে একই এলাকার মজিদ গংরা। এসব জমি ক্রয়কৃত মালিক অজুহাত দেখিয়ে গত ৪ বছর যাবত শাররীক নির্যাতন, হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন সময় মুন্নিকে হয়রানী করে আসছে তারা।
বিশেষ করে একই এলাকার পুলিশের রিটার্ড কনেস্টবল পরিয়চদানকারী আব্দুল মজিদের ছেলে প্রবাসী দুলাল, বেলাল ও দেশে অবস্থানরত হেলালসহ তাদের ভাড়াটিয়া লোকজনের হাতে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে মুন্নি। বেলাল ও দুলাল বিদেশ থেকে এসে প্রতিবারই মুন্নির উপর হামলা চালিয়ে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে। এঘটনায় একাধিক মামলাও করেছে উভয় পক্ষ।
ভুক্তভোগী খায়রুন্নেসা মুন্নি জানান, রাখালিয়া মৌজার ২৪১৯/২৪২০/২৪২২ এবং ২৪২৩ নং দাগে ২৭ শতাংশ জমির মালিকানা রয়েছে সে। এরমধ্যে দুই বোন থেকে ১২ শতাংশ জমি হেবা পায় মুন্নি। বাকী সাড়ে ১৫ শতাংশ জমি তার বোন পারভীন ও মরিয়ম থেকে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়। এবং তা দখলে থেকে বসবাস করে যাচ্ছে। এরমধ্যে নারগিস আক্তার নামের মুন্নির বড় বোন থেকে আব্দুল মজিদের ছেলে মেহেদি হাসান দুলাল পাশের জমি ক্রয় করে মুন্নির দখলীয় জমি দখলের চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে শুরু হয় ষড়যন্ত্র। ওই জমিকে কেন্দ্র করে একাধিকবার হামলার শিকার, মামলা শিকারসহ হয়রানী হয়েছে বলে অভিযোগ মুন্নির। গত এক বছর পূর্বে রায়পুর থানা তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান ও এস আই মোজাম্মেলের নেতৃত্বে সমাধানের চেষ্টা করে শালিশী বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বেশ কয়েকজন গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজেরাই নিজেদের মনগড়া চৌহাদ্দি দিয়ে মুন্নির দখলীয় জমি মেহেদি হাসান দুলালদের বুঝিয়ে দেন। যেটি মুন্œি কিংবা তার পক্ষের লোকজন জানেনা বলে অভিযোগ করেন মুন্নি। সর্বশেষ গত ২১ আগষ্ট তার দখলীয় জমিতে অবস্থানের সময় তাকে জোরপূর্বক টেনেহেচড়ে বের করে দিয়ে পুনরায় দখলের চেষ্টা করে আব্দুল মজিদ ও তার ছেলে হেলালসহ ভাড়াটিয়া লোকজন।
বর্তমানের উচ্ছেদ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী খায়রুন্নেসা মুন্নি। এসব ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারসহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তিনি।
বার্তা বাজার/এস.আর